মেট্রোরেল প্রদর্শনী কেন্দ্রে এসব কিছুর উত্তর পাওয়া যাবেকেমন হবে মেট্রোরেল, কীভাবে এর টিকিট কাটবেন, ব্যবস্থাপনা কী


Published: 2021-11-19 21:01:40 BdST, Updated: 2021-12-09 04:42:52 BdST

কেমন হবে মেট্রোরেল, কীভাবে এর টিকিট কাটবেন, ব্যবস্থাপনা কী; এসব কিছুর উত্তর পাওয়া যাবে উত্তরার মেট্রোরেল প্রদর্শনী কেন্দ্রে। উত্তরার দিয়াবাড়িতে অবস্থিত প্রদর্শনী কেন্দ্রটি আগামী মাসেই সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

রাষ্ট্রায়ত্ত ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন সিদ্দিক সাংবাদিকদের জানান, এর মাধ্যমে মানুষজন এই ট্রেন দেখতে কেমন, কীভাবে এর টিকিট কাটবেন, ব্যবস্থাপনা কী; সবকিছুই জানতে পারবেন।

তিনি বলেন, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে মিরপুর হয়ে আগারগাঁও পর্যন্ত ট্রেন সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তার আগে একাধিক টেস্ট যেমন পারফরম্যান্স টেস্ট, ইন্টিগ্রিটি টেস্ট হবে। তারপর ৫ মাস পর্যন্ত যাত্রী ছাড়া চলবে ট্রেন। এসব পরীক্ষা সফল হলে যাত্রীসহ ট্রেনের চলাচল শুরু হবে। ঢাকার মানুষ সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায়।

সরেজমিন ঘুরে ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢুকতেই রয়েছে টিকিট কাউন্টার। সুইচ টিপে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে টিকিট কেনার ব্যবস্থা। শুধু টিকিট সংগ্রহই নয়, টিকিট সংগ্রহের পর প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের আগে সে টিকিট প্রদর্শন করে ইলেকট্রিক গেট দিয়ে ঢুকতে হবে। গেটের পাশে নির্দিষ্ট স্থানে টিকিট স্পর্শ করলেই খুলে যাবে গেট। এরপর প্রবেশ করতে হবে প্ল্যাটফর্মে। প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করতে হবে ট্রেনের জন্য। ট্রেনের দরজা খুলে গেলে যাত্রী নামার সঙ্গে সঙ্গে উঠে যেতে হবে ট্রেনে।

প্রদর্শনী কেন্দ্রে রাখা হয়েছে ট্রেনের একটি কোচ। এতে উঠে দেখা যাবে। কোচের দরজা বন্ধ হবে নিজে নিজেই। কোনো প্রতিবন্ধকতা এলে অটোমেটিক সেন্সর থাকায় দরজা বন্ধ হবে না। কোচের ভেতরে বসার পাশাপাশি দাঁড়ানোর ব্যবস্থাও থাকবে। যে কোচগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে, সেগুলোয় বসার চেয়ে দাঁড়ানোর ব্যবস্থাই রয়েছে বেশি। তবে জায়গা না পেলেও চিন্তা নেই। কারণ প্রতি সাড়ে তিন মিনিট পরপর আসবে একেকটি ট্রেন। প্ল্যাটফর্মে সাড়ে তিন মিনিট দাঁড়িয়ে থেকে পরের ট্রেনে ওঠা যাবে সহজেই। প্রদর্শনী কেন্দ্র ঘুরে আরো বিস্তারিত জানা যাবে। প্রদর্শনী কেন্দ্রে এমআরটি-৬-এর সব স্টেশন সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাবে। অভিজ্ঞতা অর্জন শেষে সব মেট্রোরেলের স্টেশনের মতো বের হওয়ার গেটে টিকিট স্পর্শ করেই বের হতে হবে।

উল্লেখ্য, ঢাকার প্রথম মেট্রোরেলে (এমআরটি-৬) ব্যয় হচ্ছে ২২ হাজার কোটি টাকা। এ ট্রেন লাইন উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে মিরপুর, আগারগাঁও, শাহবাগ, মতিঝিল হয়ে কমলাপুর গিয়ে শেষ হবে। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের অধীন প্রকল্পটির অর্থায়নকারী জাপানি সাহায্য সংস্থা জাইকা।

মেট্রোরেল এখন প্রতিদিনই ট্রায়াল রান হচ্ছে। সাত সেট ট্রেন ঢাকায় পৌঁছে গেছে। এক সেট আছে মোংলা সমুদ্রবন্দরে। ডিসেম্বরের মধ্যে দশটি ট্রেন সেট ঢাকায় পৌঁছাবে।কেমন হবে মেট্রোরেল, কীভাবে এর টিকিট কাটবেন, ব্যবস্থাপনা কী; এসব কিছুর উত্তর পাওয়া যাবে উত্তরার মেট্রোরেল প্রদর্শনী কেন্দ্রে। উত্তরার দিয়াবাড়িতে অবস্থিত প্রদর্শনী কেন্দ্রটি আগামী মাসেই সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

রাষ্ট্রায়ত্ত ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন সিদ্দিক সাংবাদিকদের জানান, এর মাধ্যমে মানুষজন এই ট্রেন দেখতে কেমন, কীভাবে এর টিকিট কাটবেন, ব্যবস্থাপনা কী; সবকিছুই জানতে পারবেন।

তিনি বলেন, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে মিরপুর হয়ে আগারগাঁও পর্যন্ত ট্রেন সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তার আগে একাধিক টেস্ট যেমন পারফরম্যান্স টেস্ট, ইন্টিগ্রিটি টেস্ট হবে। তারপর ৫ মাস পর্যন্ত যাত্রী ছাড়া চলবে ট্রেন। এসব পরীক্ষা সফল হলে যাত্রীসহ ট্রেনের চলাচল শুরু হবে। ঢাকার মানুষ সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায়।

সরেজমিন ঘুরে ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢুকতেই রয়েছে টিকিট কাউন্টার। সুইচ টিপে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে টিকিট কেনার ব্যবস্থা। শুধু টিকিট সংগ্রহই নয়, টিকিট সংগ্রহের পর প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের আগে সে টিকিট প্রদর্শন করে ইলেকট্রিক গেট দিয়ে ঢুকতে হবে। গেটের পাশে নির্দিষ্ট স্থানে টিকিট স্পর্শ করলেই খুলে যাবে গেট। এরপর প্রবেশ করতে হবে প্ল্যাটফর্মে। প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করতে হবে ট্রেনের জন্য। ট্রেনের দরজা খুলে গেলে যাত্রী নামার সঙ্গে সঙ্গে উঠে যেতে হবে ট্রেনে।

প্রদর্শনী কেন্দ্রে রাখা হয়েছে ট্রেনের একটি কোচ। এতে উঠে দেখা যাবে। কোচের দরজা বন্ধ হবে নিজে নিজেই। কোনো প্রতিবন্ধকতা এলে অটোমেটিক সেন্সর থাকায় দরজা বন্ধ হবে না। কোচের ভেতরে বসার পাশাপাশি দাঁড়ানোর ব্যবস্থাও থাকবে। যে কোচগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে, সেগুলোয় বসার চেয়ে দাঁড়ানোর ব্যবস্থাই রয়েছে বেশি। তবে জায়গা না পেলেও চিন্তা নেই। কারণ প্রতি সাড়ে তিন মিনিট পরপর আসবে একেকটি ট্রেন। প্ল্যাটফর্মে সাড়ে তিন মিনিট দাঁড়িয়ে থেকে পরের ট্রেনে ওঠা যাবে সহজেই। প্রদর্শনী কেন্দ্র ঘুরে আরো বিস্তারিত জানা যাবে। প্রদর্শনী কেন্দ্রে এমআরটি-৬-এর সব স্টেশন সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাবে। অভিজ্ঞতা অর্জন শেষে সব মেট্রোরেলের স্টেশনের মতো বের হওয়ার গেটে টিকিট স্পর্শ করেই বের হতে হবে।

উল্লেখ্য, ঢাকার প্রথম মেট্রোরেলে (এমআরটি-৬) ব্যয় হচ্ছে ২২ হাজার কোটি টাকা। এ ট্রেন লাইন উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে মিরপুর, আগারগাঁও, শাহবাগ, মতিঝিল হয়ে কমলাপুর গিয়ে শেষ হবে। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের অধীন প্রকল্পটির অর্থায়নকারী জাপানি সাহায্য সংস্থা জাইকা।

মেট্রোরেল এখন প্রতিদিনই ট্রায়াল রান হচ্ছে। সাত সেট ট্রেন ঢাকায় পৌঁছে গেছে। এক সেট আছে মোংলা সমুদ্রবন্দরে। ডিসেম্বরের মধ্যে দশটি ট্রেন সেট ঢাকায় পৌঁছাবে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

সম্পাদক: মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ

যোগাযোগ: গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্স, রুম নং-১০০, ঢাকা। মোবাইল: ০১৭৪০-৫৯৯৯৮৮. E-mail: odhikarpatra@gmail.com

সম্পাদক: মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ

যোগাযোগ: গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্স, রুম নং-১০০, ঢাকা। মোবাইল: ০১৭৪০-৫৯৯৯৮৮. E-mail: odhikarpatra@gmail.com


Developed by: EASTERN IT