জ্যাক শিরাকের শেষকৃত্য: বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ


Published: 2019-09-29 19:06:34 BdST, Updated: 2019-10-16 15:39:00 BdST

 

জ্যাক শিরাকের শেষকৃত্য: বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

ঢাকা: রোববার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ফ্রান্সের সদ্যপ্রয়াত প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাকের শেষকৃত্যে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে প্যারিস যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আগামীকাল সোমবার সকালে এই শেষকৃত্যে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রতিনিধিবৃন্দের সাথে অংশ নেবেন ড. হাছান।

গত বৃহস্পতিবার ২৬ সেপ্টেম্বর সকালে মৃত্যুকালে জ্যাক শিরাকের বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। ১৯৯৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে তার আমলেই ফ্রান্স ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিন্ন মুদ্রাব্যবস্থায় যোগ দেয়। আগে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট সাত বছরের জন্য নির্বাচিত হতেন। তিনি ক্ষমতায় এসে প্রেসিডেন্টের মেয়াদ পাঁচ বছরে নামিয়ে আনেন ।সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক ২০০৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাক আক্রমণের বিরোধিতা করে দীর্ঘদিন গণমাধ্যমের শিরোনাম ছিলেন।

বুধবার তথ্যমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

###
প্রেস রিলিজ নং-২৯/৯-২

বিএনপি গঠনতন্ত্রের ৭ম ধারা বাদ দিয়ে দুর্নীতিবাজদের জায়েজ করছে -তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা: রোববার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দুর্নীতি-মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান করেছেন, বিএনপি তখন তাদের গঠনতন্ত্রের ৭ম ধারা বাদ দিয়ে সমস্ত দুর্নীতিবাজদের তাদের দল করার সুযোগ করে দিয়েছে, বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

রোববার দুপুরে রাজধানীতে প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন হলে আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা এম এ মান্নান স্মরণে আয়োজিত সভায় তিনি একথা বলেন। আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জি: মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে শিল্প মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু, সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়েশা খান, আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, প্রচার সম্পাদক আকতার হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া, যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউজ্জামান বদি প্রমুখ সভায় অংশ নেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি আগে যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন অনিয়মকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার জন্যে হাওয়া ভবন করে সমস্ত ব্যবসা থেকে টোল আদায় করতো, , খোয়াব ভবন করে আমোদ ফুর্তি করতো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজকে দল-মতের উর্ধ্বে সমস্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছেন, আর বিএনপি সাত নম্বর ধারা বাদ দিয়ে সমস্ত দুর্নীতিবাজদের দল করার সুযোগ করে দিয়েছে। এখানেই হচ্ছে তাদের সাথে আমাদের পার্থক্য।

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতি, অনিয়ম, মাদক এগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছেন, আর বিএনপি তাদের গঠনতন্ত্রের সাত নম্বর ধারা বাদ দিয়েছে’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সাত নম্বর ধারায় ছিল, কেউ যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হয় বা দুর্নীতির দায়ে শাস্তিপ্রাপ্ত হয়, কারো বিরুদ্ধে যদি এই সমস্ত অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তিনি তাদের দলের কোনো পদেই থাকতে পারবে না। সেই সাত নম্বর ধারাটি বাদ দিয়ে বিএনপি সমস্ত দুর্নীতিবাজদের তাদের দল করার সুযোগ করে দিয়েছে।’

আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতারা রাজনীতিকে ব্রত হিসেবে নেয়। আর বিএনপির কাছে রাজনীতি ব্রত নয়। তাদের কছে রাজনীতি হচ্ছে ক্ষমতা এবং ভোগ বিলাসের সোপান। আওয়ামী লীগ সৃষ্টি হয়েছে আন্দোলন, সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। আওয়ামী লীগে আজকের যারা জাতীয় নেতা, তাদের প্রত্যেকের পেছনে অনেক সংগ্রামের ইতিহাস আছে, জীবনকে মৃত্যুর মুখোমুখি করার অনেক ঘটনা আছে, যেটি বিএনপি নেতাদের নাই। বিএনপি গঠিত হয়েছে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে। রাস্তায় যখন খাবারের উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দেয়া হয়, তখন অনেক কাক জড়ো হয় এই খাবার নেবার জন্য। জিয়াউর রহমান আর ক্ষমতার উচ্ছিষ্টভুক কাকদের সমন্বয়ে বিএনপির জন্ম।’

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের মধ্যে যে সমস্ত অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে, পরপর তিনবার ক্ষমতায় থাকার কারণে যারা আওয়ামী লীগের লেবাস পরে দলে অনুপ্রবেশ করেছিল, যাদের নৈতিক স্খলন ঘটেছে, তাদের বিরুদ্ধে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে অগ্রসর হচ্ছেন, তিনি ক্যাসিনো বন্ধ করছেন, মাদক বন্ধ করছেন, অনিয়ম বন্ধ করছেন’, বলেন ড. হাছান।


তথ্যমন্ত্রী এসময় প্রয়াত চট্টগ্রামের নেতা এম এ মান্নানকে অত্যন্ত সৎ, সদালাপী, প্রাজ্ঞ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং বলেন, এই ধরণের নেতাদের স্মরণে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। নাহয় নতুন প্রজন্মের রাজনীতিবিদরা শিখবে না। প্রয়াত নেতাদের সম্মান না করলে, তারা ভবিষ্যতে নেতাদের সম্মান করবে না।
###


প্রেস রিলিজ নং-২৯/৯-১

তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
তথ্য অধিকার নিশ্চিত করছে সরকার। তথ্য কমিশনে এক লাখ অভিযোগ নিষ্পত্তি

ঢাকা: রোববার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমরা ২০০৯ সালে ৬ জানুয়ারি সরকার গঠন করার পর সংসদে প্রথম অধিবেশনেই তথ্য অধিকার আইন পাশ করা হয়। এটির মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার প্রমাণ করেছে যে, তাঁর সরকার মানুষের তথ্যের অধিকার নিশ্চিত করার জন্যেই কাজ করছে। আজকে এ পর্যন্ত তথ্য প্রদান সংক্রান্ত এক লাখ অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

রোববার সকালে রাজধানীর শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমি প্রাঙ্গন থেকে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে তথ্য কমিশন আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালি উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন। প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমদ, তথ্য কমিশনার সুরাইয়া বেগম এনডিসি, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মিজান-উল-আলম, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল করিম, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: জাকির হোসেনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ র‌্যালিতে অংশ নেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা তথ্য অধিকার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছি। একইসাথে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করে। আমরা মনে করি, গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করার পাশাপাশি আমাদের সম্মিলিত দায়বদ্ধতা আছে, যাতে আমার স্বাধীনতা বা আরেকজনের স্বাধীনতা অপরের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ না করে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে সরকার গঠন করার পর আজকে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের যে ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে, এটি বাংলাদেশে অতীতে হয়নি, অন্য কোনো দেশেও গণমাধ্যমের এত দ্রুত বিকাশ হয়নি, উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ২০০৮ সালে পত্রিকার যে সংখ্যা ছিল, এখন তা দ্বিগুণেরও বেশি। এবং বাংলাদেশে তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে প্রাইভেট টেলিভিশনের যেটির যাত্রা শুরু হয়েছিল এখন সেটির ৩০টি সম্প্রচারে আছে, ৪৫টির লাইসেন্স দেয়া আছে, চালু আছে কয়েক হাজার অনলাইন গণমাধ্যম। এছাড়াও গত ১০ বছরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যে ব্যাপ্তি বাংলাদেশে যে ঘটেছে, তা মানুষের ভাব ও অনুভূতি প্রকাশের, কথা বলার এবং মুহূর্তের মধ্যে কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার দুয়ার অবারিত করেছে, এটিও শেখ হাসিনার কারণেই হয়েছে।

বেলুনমালা উড়িয়ে র‌্যালি উদ্বোধন করে এসময় জাদুঘর পর্যন্ত পদযাত্রায় অংশ নেন তথ্যমন্ত্রী।

###

-মীর আকরাম PRO-Info

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

সম্পাদক: মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ

যোগাযোগ: গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্স, রুম নং-১০০, ঢাকা। মোবাইল: ০১৭৪০-৫৯৯৯৮৮. E-mail: odhikarpatra@gmail.com

সম্পাদক: মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ

যোগাযোগ: গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্স, রুম নং-১০০, ঢাকা। মোবাইল: ০১৭৪০-৫৯৯৯৮৮. E-mail: odhikarpatra@gmail.com


Developed by: EASTERN IT