04/04/2025 জীবনে রোম্যান্সের কোনও কমতিই হবে না
odhikarpatra
১ জুলাই ২০২২ ১২:১৫
আপনাদের দুজনের জীবনেই ব্যস্ততা থাকবে। আপনারা চাকরি নিয়ে ব্যস্ত থাকতেই পারেন। পরিবারের দায়িত্ব থাকবে দুজনের উপরেই। এছাড়াও প্রতিদিনের সংসারের কাজও দুজনের উপরেই থাকবে।
কিন্তু এর মধ্য়েও নিজেদের জন্য ও সম্পর্কের জন্য আপনাদের সময় বের করতেই হবে। একে অপরের জন্য সময় বের করুন। দুজনে মিলে ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান বানান।
দেখুন, বন্ধুদের সঙ্গেও আপনি ঘুরতে যেতে পারেন। তবে কখনও শুধু দুজনে ঘুরতে যাওয়া উচিত। দুজনে মিলে ঘুরে আসুন। এতে বিবাহিত জীবন অনেক সহজ হবে। ভালোবাসার সম্পর্ক ঠিক রাখার জন্য একে অপরের জন্য সময় দেওয়া খুবই প্রয়োজন।
এখন অনেক দম্পতিই কর্মরত। আবার অনেক পরিবারেই পুরুষ সদস্য উপার্জন করেন এবং তাঁর স্ত্রী সম্পূর্ণ পরিবারের দায়িত্ব নেন। এটা তাঁরা পরিকল্পনা করেই করেন। কিন্তু আপনারা দুজনে দুজনের সঙ্গে কি আর্থিক পরিকল্পনা করেন?
যেমন ধরুন, আপনি এই মাসে কত টাকা কোথায় খরচ করছেন, তা আগে থেকেই সঙ্গীর সঙ্গে আলোচনা করে নিন। আবার কোনও মাসে টাকার একটু টান থাকলে তাও সঙ্গীকে জানাতে ভুলবেন না। একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করলেই নিজেদের মধ্য়ে ভুল বোঝাবুঝি অনেক কম হবে।
আপনার সঙ্গীর সঙ্গে যেমন আপনি অন্যান্য বিষয়েও আলোচনা করবেন, আবার দুজনের মধ্য়ে শারীরিক ঘনিষ্ঠতাও একান্ত প্রয়োজন। তাই আপনার কর্মজীবনের চাপে যেন কোনওভাবেই আপনার ব্যক্তিগত জীবন প্রভাবিত না হয়। একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটান। একে অপরের জন্য সুন্দর মুহূর্ত তৈরি করুন। যৌন মিলন করুন। সম্পর্ক ভালো রাখার জন্য সঙ্গীর জন্য শারীরিক ঘনিষ্ঠতা ভীষণ ভীষণ প্রয়োজন।
আপনি হয়তো সকাল ৮টায় অফিস বেরিয়ে যান। আপনার সঙ্গী আপনার আগে বা পরে বের হয়। সকাল থেকে অফিস বেরনোর একটা ব্যস্ততা থাকে। আবার বাড়ি ফিরেও সংসারের কাজ থাকে। সারাদিন পর ক্লান্তও হয়ে পড়েন আপনি। তবু এর মধ্য়ে সময় বের করুন।
সারাদিন কাজের ফাঁকে সঙ্গীর খোঁজ নিন মাঝেমধ্যে। রাতে ফ্রি হয়ে একে অপরের সঙ্গে গল্প করুন। আর না হলেও, সন্ধ্যার চা একসঙ্গে খান। দেখবেন আপনার ভালো লাগবে। কোথাও ডিনারে যেতে পারেন। ছবি দেখতে যেতে পারেন। বাড়িতেও দুজনে মিলে একসঙ্গে পছন্দের সিরিজ দেখতে পারেন।
বাড়ির কাজ শুধুই আপনার স্ত্রী করেন, আপনি তাঁকে কোনও সাহায্য করেন না? এই কাজটি কখনও করবেন না। তাহলে একটা সময় পর প্রেমে ভাটা পড়তে পারে। বাড়ির কাজও দুজন মিলেই করুন। প্রতি সপ্তাহে ঘর পরিষ্কার করুন। যদি দুজনে মিলে করেন, তাহলে কাজ অনেক কম হয়ে যায়।
এছাড়াও আপনারা বছরে একবার সম্পূর্ণ বাড়ি পরিষ্কার করুন। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাতিল করে দিন। ঘরে নতুন জিনিস নিয়ে আসুন। ঘরে খাট, আলমারির জায়গাও বদলাতে পারেন। এতে ঘরে একটি নতুন টাচ যোগ হয়। মনও ভালো থাকে
এই সময় থেকে