জার্মানদের গোমড়া মুখ দেখলে তাদের সম্পর্কে আমার সব ইতিবাচক ধারণা ভুলে যেতে ইচ্ছে করে৷ ব্যাপারটা কেমন বলি৷ জার্মানি থেকে বাংলাদেশে বিমান থেকে নেমে যখন ইমিগ্রেশনে গেছি, তখন ইমিগ্রেশন অফিসার হাসি দিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন, কতদিনের জন্য এলেন?
এই যে হাসি- এটা জার্মানিতে বছরে দুইবার দেখা যায়। এক- কার্নিভালের সময়, দুই- যখন তারা মাতাল হয়৷ কিন্তু স্বাভাবিক হাসি হাসতে তাদের যেন ভীষণ কষ্ট৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভূত যেন তাদের ঘাড়ে আজও চেপে বসে আছে৷
বিশেষ করে ট্রাম বা ট্রেনে অন্য কোন দেশি মানুষ যদি গল্প বা হাসিঠাট্টা করে তারা এমনভাবে তাকায়, যেন হাসি একটা অপরাধ৷ সত্যি তাদের দৃষ্টি দেখে লজ্জা লেগে যায়, হাসি দিয়ে কোন ভুল করলাম কিনা!
এতো গেলো হাসির কথা৷ এবার বলি হাঁচি-কাশির কথা৷ এ প্রসঙ্গে সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রেমের গল্প ‘বেঁচে থাক সর্দিকাশি’র কথা মনে পড়ে গেলো৷ শীতকালে জার্মানিতে ট্রাম-বাস-ট্রেনে কিংবা রাস্তাঘাটে চলাচল করলে আপনার কাছে সত্যিই মনে হবে সর্দি কাশিরা বেঁচে আছে এখানে। শুধু কি বেঁচে আছে, রীতিমত চলাফেরা করছে তারা!