09/01/2025 বাংলাদেশের জন্য আদর্শিক নেতৃত্বের খোঁজে — মহাকবি প্রকৃতজ শামিমরুমি টিটন
odhikarpatra
৩১ আগস্ট ২০২৫ ০৩:২০
ঢাকা, ৩০ আগস্ট ২০২৫ | ✍ অধিকার পত্র
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও এখনো ঘরে ঘরে শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন মহাকবি প্রকৃতজ শামিমরুমি টিটন।
অধিকার পত্র ডটকমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন—
“স্বাধীনতার প্রভাতলগ্নে মানুষ ভেবেছিল—এবার আসবে ন্যায়, শান্তি আর সমান সুযোগ। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখনো অচেনা দূরত্বে দাঁড়িয়ে।”
সম্ভাবনার নাম বাংলাদেশ
মহাকবি টিটনের মতে, বাংলাদেশ এক অফুরন্ত সম্ভাবনার দেশ।
সবই আছে। তবে তিনি আক্ষেপ করে বলেন,
“সম্ভাবনা আছে, কিন্তু আদর্শিক নেতৃত্বের অভাবে আমরা বারবার ব্যর্থ হচ্ছি।”
নেতৃত্ব মানে কেবল ক্ষমতা নয়
টিটনের দৃষ্টিতে নেতৃত্বের মূল ভিত্তি হলো সততা, আত্মত্যাগ ও আস্থা অর্জন।
তিনি বলেন,
“একজন আদর্শ নেতা মানুষের আস্থা অর্জন করেন সততা দিয়ে। ব্যক্তিস্বার্থ ও দলীয় দ্বন্দ্ব যদি বড় হয়ে যায়, তবে জাতীয় স্বার্থ বাধাগ্রস্ত হয়।”
নেতৃত্বকে তিনি কেবল ক্ষমতার আসন নয়, বরং মানুষের আস্থা অর্জনের দায়িত্ব হিসেবে দেখেন। তাঁর ভাষায়, “একজন আদর্শ নেতা সততা ও আত্মত্যাগ দিয়ে জাতিকে স্বপ্ন দেখান, আবার সেই স্বপ্ন পূরণের সাহসও জোগান। কিন্তু আমাদের দেশে ব্যক্তিস্বার্থ আর দলীয় দ্বন্দ্ব জাতীয় স্বার্থের জায়গা দখল করেছে। ফলে অশান্তি বেড়েছে, শান্তি আসেনি।”
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে সাফল্য এলেও তা ছুঁতে পারেনি অধিকাংশ সাধারণ মানুষ—এমন মন্তব্যও করেন তিনি। “গ্রাম থেকে শহর, সর্বত্র মানুষের দীর্ঘশ্বাস শোনা যায়। অধিকার নিশ্চিত না হলে প্রকৃত শান্তি আসবে না,” বলেন মহাকবি।
ভবিষ্যতের পথনির্দেশনায় টিটন বলেন, “জনগণই রাষ্ট্রের মূল শক্তি। যদি অধিকারবঞ্চিত মানুষের কান্না থামানো না যায়, একদিন সেটাই জাতির অগ্রগতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।”
তাঁর মতে, একজন নীতিনিষ্ঠ, দূরদর্শী ও আদর্শিক নেতার নেতৃত্বেই কেবল মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন পূর্ণতা পাবে—যেখানে থাকবে ন্যায়, শান্তি ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ।
অধিকার পত্র ডটকমের পাঠকদের উদ্দেশে মহাকবির বার্তা:
“আদর্শিক নেতৃত্ব এ দেশে এলে, তখনই আমরা সত্যিকারের মুক্তির স্বাদ পাব।”