01/07/2026 ট্রাম্পের বিদেশি সামরিক অভিযান নিয়ে রিপাবলিকান শিবিরেই দ্বিধা, ‘অ-হস্তক্ষেপ’ নীতিতে প্রশ্ন
odhikarpatra
৪ January ২০২৬ ১৪:১৫
অধিকারপত্র ডটকম
ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র | ৪ জানুয়ারি ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বিদেশি সামরিক অভিযান নিয়ে রিপাবলিকানদের একাংশের মধ্যে স্পষ্ট অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপের সমালোচনা করে রাজনৈতিক সমর্থন আদায় করেছিলেন ট্রাম্প। তবে ক্ষমতায় এসে ইরান, ভেনেজুয়েলা ও অন্যান্য দেশে সামরিক অভিযান চালানোয় তাঁর সেই ‘অ-হস্তক্ষেপ’ নীতির সঙ্গে বাস্তবতার বিরোধ দেখা দিচ্ছে।
বিশেষ করে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে চালানো অভিযানের পর ডানপন্থী রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, এটি ট্রাম্পের পূর্বঘোষিত নীতির স্পষ্ট ব্যত্যয়।
মার্কিন সাময়িকী আমেরিকান কনজারভেটিভ-এর পরিচালক কার্ট মিলস আল জাজিরাকে বলেন,
“যেভাবেই দেখুন না কেন, এটি অ-হস্তক্ষেপমূলক বক্তব্য থেকে স্পষ্ট সরে আসা। লাতিন আমেরিকায় সম্পৃক্ততা হয়তো ইউরোপ বা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের তুলনায় কিছুটা যুক্তিসংগত মনে হতে পারে, কিন্তু তারপরও প্রশ্ন থেকেই যায়।”
তিনি আরও বলেন,
“সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো—‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’-এর ছায়া এখনো আমাদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে। যিনি এই অভিযান পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়েছেন, তিনি ইরাক যুদ্ধের জন্য কখনোই অনুশোচনা প্রকাশ করেননি।”
মিলস আরও সমালোচনা করেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইনের বক্তব্যের। কেইন বলেন, ভেনেজুয়েলার অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ‘সন্ত্রাসী শিকারের বহু বছরের অভিজ্ঞতা’ কাজে লাগিয়েছে। এ প্রসঙ্গে মিলস প্রশ্ন তোলেন,
“হ্যাঁ, কিন্তু ঠিক কী উদ্দেশ্যে?”
বিশ্লেষণ
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ রিপাবলিকান দলের ভেতরেই আদর্শগত বিভাজনকে আরও স্পষ্ট করছে। একদিকে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির কথা বলা হলেও, অন্যদিকে বিদেশে সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকায় ভবিষ্যতে এই বিভক্তি আরও গভীর হতে পারে।