09/27/2026 জবি দ্বিতীয় গেটে ছাত্রলীগ নেতাকে আটক, পুলিশের কাছে হস্তান্তর
odhikarpatra
২৭ September ২০২৬ ০৪:৪৫
প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় গেট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তির নাম মো. সুমন খান মিরাজ। তিনি কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সহ-সম্পাদক পদে রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে তার সাংগঠনিক পরিচয় ও পদ-পদবি সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট এলাকায় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী অবস্থান করছিলেন। এ সময় সুমন খান মিরাজকে মুঠোফোনে অন্য একজনের সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায় বলে দাবি করেন তারা।
আটকের সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ফোনালাপে তিনি ককটেল ও ব্যানার-পোস্টার নিয়ে আসা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে ককটেল বিস্ফোরণ ও ব্যানার লাগানোর বিষয়ে কথা বলছিলেন। বিষয়টি শুনে কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে তিনি সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করেন বলে দাবি করা হয়। পরে তাকে আটক করা হয়।
আটককারী শিক্ষার্থীরা আরও দাবি করেন, তার মুঠোফোন পরীক্ষা করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিলের ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে। তবে তার কাছ থেকে কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি বলেও তারা জানান।
পরে আটক ব্যক্তিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের কক্ষে রাখা হয়। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত জবি ছাত্রদলের এক আহ্বায়ক সদস্য দাবি করেন, তারা ক্যাম্পাসে অবস্থান করার সময় ওই ব্যক্তিকে ফোনে কথা বলতে শুনেছিলেন। এরপর সন্দেহ হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তিনি পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশকে খবর দিয়ে তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম রবিউল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
জানা গেছে, আটক সুমন খান মিরাজের স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালীর বদরপুর এলাকায়। তবে তার বিরুদ্ধে ককটেল বহন, বিস্ফোরণ বা ব্যানার-পোস্টার লাগানোর অভিযোগের সত্যতা এবং আটকের পর তার বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।