10/12/2026 ঢাবির প্রতীকী উপাচার্য শীতল, বললেন ‘সময়টুকুই বড় সম্পদ’
odhikarpatra
১১ October ২০২৬ ২৩:৪৬
ঢাবি প্রতিবেদক | অধিকারপত্র ডটকম
শিক্ষার গুরুত্ব, কন্যাশিশুর অধিকার এবং নারী নেতৃত্বের বার্তা নিয়ে এক দিনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রতীকী উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী শীতল। আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে রোববার (১১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছ থেকে প্রতীকীভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।
এ সময় শীতল বলেন, “শিক্ষার সত্যি কোনো বিকল্প নেই, আর এই মুহূর্তে আমাদের হাতে যে সময়টুকু আছে, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ।”
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রাজধানীর একটি কলেজে উচ্চমাধ্যমিকের দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছেন শীতল। ‘গার্লস টেকওভার’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতীকী দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান। এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কন্যাশিশু ও তরুণীদের নেতৃত্বের সক্ষমতা তুলে ধরা এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাঁদের অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা সামনে আনা।
‘স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে আরও সংকল্পবদ্ধ’
প্রতীকী দায়িত্ব পালন শেষে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শীতল বলেন, উপাচার্যের কাছ থেকে পাওয়া উপদেশ ও শিক্ষাগুলো তিনি আজীবন মনে রাখবেন।
তিনি বলেন, “পড়াশোনা শেষ করে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছানোর জন্য আজ নিজেকে আগের চেয়েও অনেক বেশি সংকল্পবদ্ধ মনে হচ্ছে।”
শীতলের এই বক্তব্যে শিক্ষার মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পাশাপাশি জীবনের লক্ষ্য অর্জনে সময়ের যথাযথ ব্যবহারের গুরুত্ব উঠে এসেছে।
কন্যাশিশুর স্বপ্ন এগিয়ে নিতে শিক্ষার দরজা খোলা রাখতে হবে
শীতলের হাতে প্রতীকী দায়িত্ব তুলে দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, শীতলের মতো প্রতিটি কন্যাশিশুর স্বপ্ন এগিয়ে নিতে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি বলেন, কন্যাশিশুদের কথা শুনতে হবে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে। তাঁর মতে, কন্যাশিশুর শিক্ষা ও অধিকারে বিনিয়োগ একটি সমতাপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ভিত্তি।
উপাচার্যের এ বক্তব্যে মেয়েদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাঁদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং নেতৃত্বের বিকাশে সহায়তা করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
বাল্যবিবাহ ও শিশু অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে শীতলের বার্তা
‘গার্লস টেকওভার’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শীতল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আলোচনায় অংশ নেন। এসব আলোচনায় তিনি বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর প্রভাব এবং শিশু অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
একই সঙ্গে তরুণীদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরে স্বাধীন, নিরাপদ ও সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশসহ বিভিন্ন যুব ও কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থেকে কন্যাশিশুর শিক্ষা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের বিষয়েও কাজ করেছেন শীতল।
প্রতীকী দায়িত্বের মধ্য দিয়ে নেতৃত্বের বার্তা
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শীতলের এই প্রতীকী দায়িত্ব পালন কন্যাশিশু ও তরুণীদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং নেতৃত্ব বিকাশের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।
এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সমাজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং তাঁদের সক্ষমতা বিকাশের বিষয়ে সচেতনতা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হয়।
শীতলের বক্তব্য—‘হাতে থাকা সময়টুকুই বড় সম্পদ’—শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের লক্ষ্য নয়; বরং শিক্ষা, আত্মবিশ্বাস ও সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার একটি বার্তাও বহন করে।
: এক দিনের উপাচার্য শীতল দিলেন বড় বার্তা—‘শিক্ষার বিকল্প নেই, সময়ই সবচেয়ে বড় সম্পদ’
এক দিনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকী উপাচার্য হয়ে শিক্ষার গুরুত্ব ও কন্যাশিশুর অধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী শীতল। আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে ‘গার্লস টেকওভার’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি বলেছেন, “শিক্ষার সত্যি কোনো বিকল্প নেই, আর এই মুহূর্তে আমাদের হাতে যে সময়টুকু আছে, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ।” বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, শিশু অধিকার রক্ষা ও তরুণীদের নেতৃত্ব বিকাশেও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
হ্যাশট্যাগ: #ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয় #শীতল #কন্যাশিশু_দিবস #GirlsTakeover #শিশু_অধিকার #বাল্যবিবাহ_প্রতিরোধ #নারী_নেতৃত্ব #অধিকারপত্রডটকম