10/25/2026 সৃজনশীল শিল্পকে অর্থনীতির মূলধারায় আনতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী
odhikarpatra
২৪ October ২০২৬ ২৩:৪৭
সৃজনশীল শিল্পকে দেশের অর্থনীতির মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক প্রভাব বা ‘সফট পাওয়ার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। শিল্প-সংস্কৃতি, গ্রামীণ কারুশিল্প, সংগীত, চলচ্চিত্র ও থিয়েটারকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত Creative Footprints বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত অর্থনৈতিক ধারণায় শিল্প ও সংস্কৃতিকে দীর্ঘদিন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের তুলনামূলক পিছনের সারিতে রাখা হয়েছে। বর্তমান সরকার এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে সৃজনশীল অর্থনীতিকে দেশের প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন উপাদান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
তাঁর মতে, শিল্প, সংগীত, চলচ্চিত্র, থিয়েটার ও হস্তশিল্প শুধু সাংস্কৃতিক চর্চার বিষয় নয়; এগুলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আয় বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পরিচিতি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সৃজনশীল শিল্পের বিকাশে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর অংশীদারত্ব প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারের একার পক্ষে সব উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এ কারণে নীতিগত সহায়তা ও অর্থায়নের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, সৃজনশীল খাতের জন্য বাজেটে প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে। এ খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
দেশীয় কারুশিল্পী, চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন, নকশা প্রণয়ন ও ব্র্যান্ডিংয়ে সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি জানান, অ্যামাজন, ইবে ও আলিবাবার মতো আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পী ও কারুশিল্পীদের পণ্য বিপণনে সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ধরনের সহায়তার মাধ্যমে প্রান্তিক শিল্পীদের তৈরি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ, ন্যায্য মূল্যপ্রাপ্তি এবং আয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন