odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Saturday, 7th November 2026, ৭th November ২০২৬
সুইসাইড নোট লিখে নিখোঁজ হওয়ার পর দাউদকান্দিতে সন্ধান; শিক্ষক নিপীড়নের ইঙ্গিত থাকা চিঠি নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

জাবি শিক্ষার্থী মোহাইমিনুলের সন্ধান কুমিল্লায়, হেফাজতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১১ October ২০২৬ ২৩:৫৯

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১১ October ২০২৬ ২৩:৫৯

জাবি প্রতিনিধি | অধিকারপত্র ডটকম :

সুইসাইড নোট লিখে নিখোঁজ হওয়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী কাজী মোহাইমিনুল ইসলামের সন্ধান পাওয়া গেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়ার কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বর্তমানে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শিক্ষার্থীর সন্ধান পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাঁকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা হবে।

খুঁজে পাওয়ায় প্রশাসনের কৃতজ্ঞতা

নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে খুঁজে বের করতে সহযোগিতা করায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং মোহাইমিনুল ইসলামের সহপাঠীদেরও তাঁকে খুঁজে পেতে অব্যাহত প্রচেষ্টা চালানোর জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

 শিক্ষক নিপীড়নের ইঙ্গিত দিয়ে চিঠি

এর আগে রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় একটি চিঠি লিখে নিখোঁজ হন মোহাইমিনুল ইসলাম। ওই চিঠিতে শিক্ষক নিপীড়নের ইঙ্গিত ছিল বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনাটির পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তবে চিঠিতে কী অভিযোগ করা হয়েছে, নিখোঁজ হওয়ার প্রকৃত কারণ কী এবং এর সঙ্গে কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো নিশ্চিত নয়।

তদন্তে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের অপেক্ষা

শিক্ষার্থীর সন্ধান পাওয়া গেলেও তাঁর নিখোঁজ হওয়ার কারণ এবং চিঠিতে উত্থাপিত বিষয়গুলো নিয়ে তদন্তের ফল গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার অপেক্ষা রয়েছে।

মোহাইমিনুল ইসলামের নিরাপত্তা, শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য শোনা এবং চিঠিতে উল্লিখিত অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করা জরুরি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের আগে কোনো ব্যক্তি বা পক্ষকে দায়ী করা সমীচীন নয়।