
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ জন্য আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় কাজ করছে। তবে, প্রথমেই মানবিক দিকটা বিবেচনা করা হচ্ছে। রোববার রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে নবনিযুক্ত সহকারী জজদের প্রশিক্ষণকোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে প্রথমেই আমরা মানবিক দিকটা বিবেচনা করছি। এটা বিবেচনায় নিয়েই রোহিঙ্গাদের এখানে আশ্রয় দিচ্ছি। তাদের ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করার জন্য আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় যথেষ্ট কাজ করছে। বেশ সফলতাও অর্জন করেছে। এটা আপাতত চালিয়ে যাওয়া হবে। রোহিঙ্গারা যদি চায় তবে আন্তর্জাতিক আদালতে যেতে পারে। যেটা বসনিয়ায় যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরই যেমন তারা আন্তর্জাতিক আদালতে গিয়েছিল। রোহিঙ্গারা যদি সেটা আন্তর্জাতিক আদালতে নিয়ে যায়। সেটাতো আর আমাদের বিবেচ্য বিষয় নয়।’ ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের রিভিউ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেলকে আমি যখন চিঠি দেব তখনই তিনি মনে করবেন সরকারের ফরমালি সিদ্ধান্ত রিভিউ দাখিল করার। সেটাই যদি হয় তাহলে সে ব্যবস্থা করা হবে। রায়টা হচ্ছে ৭৯৯ পৃষ্ঠার। প্রত্যেকটা পাতা অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে যে আমরা কী কী বাদ দিতে চাই। ঢালাও ভাবেতো আর আমরা বাদ দিতে বলতে পারি না। এসব বিষয় ভেবে চিন্তে এবং রায়টি ভালোভাবে পড়ে রিভিউ করা হবে।’
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: