
মুন্সীগঞ্জে অবৈধ ঔষধ বিক্রয় ও সংরক্ষণ করায় দুই ফার্মেসির মালিককে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড
আরোপ করেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আওতাধীন পরিবেশের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম।রোববার (১২ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা হতে রাত ৮ টা পর্যন্ত সদর উপজেলার শহরে ২ ও ৩ নং সুপার মার্কেট এলাকায় মুন্সীগঞ্জ মেডিকেল হল এবং রোকেয়া ফার্মেসিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।
মুন্সীগঞ্জে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ লংঘন করায় ১৫ ( পনের) হাজার টাকা অর্থ দন্ড আরোপ করেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আওতাধীন পরিবেশের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম
এ সময় দেখা গেছে, মুন্সীগঞ্জ মেডিকেল হল সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঔষধ বিক্রয়ের উদ্দেশ্য মজুত ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ঔষধ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করায় ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ এর ৪০ ধারার (খ)ও (গ) বিধি লঙ্ঘন করায় ফার্মেসিটি প্রোপ্রাইটর মামুন হোসেনকে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং একই আইনের ৪০ ধারা(গ) বিধি লংঘন করায় রোকেয়া ফার্মেসীর পক্ষে স্বত্বাধিকারী মো:আসাদুজ্জামানকে ৫ হাজার টাকা অর্থ দন্ড অনাদায়ে ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন পরিবেশের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত মোবাইল কোর্ট। এছাড়াও অবৈধ ড্রাগস ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল জব্দ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন অপর স্পেশাল ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইফতি হাসান ইমরান এবং সুপারিন্টেন্ডেন্ট অব ড্রাগস মো: গোলাম মোস্তফা ও মুন্সীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল।
পরিবেশের ভারপ্রাপ্ত বেঞ্চ সহকারী জীবন সরকার জানান, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে মুন্সীগঞ্জে অবৈধ ঔষধ বিক্রয় ও সংরক্ষণ করায় দুই ফার্মেসির মালিককে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড
আরোপ করেছে পরিবেশের স্পেশাল বিচারক।এছাড়াও অবৈধ ড্রাগস ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল জব্দ করা হয়।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: