ঢাকা | রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১

জনসেবক অধ্যাপক ডাঃ আবু ইউসুফ ফকির

নিজস্ব প্রতিবেদক: | প্রকাশিত: ২২ আগস্ট ২০১৭ ১৩:৩৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: ২২ আগস্ট ২০১৭ ১৩:৩৪

অধ্যাপক ডা. মো: আবু ইউসুফ ফকির। শুধু একটি নাম নয়; ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়েও উঠেছেন। নিজকে শুধু চিকিৎসকই ভাবেন না; সফল সমাজকর্মী হিসেবে নিজকে পরিচিত করতে পেরেছেন নিজ কর্মস্থলে।   

ভূপেন হাজারিকার  সেই বিখ্যাত গান “মানুষ মানুষের জন্য”সব সময় গুনগুনিয়ে গেয়ে যাচ্ছেন আর তা বাস্তবে রুপ দিচ্ছেন। এই গানের অর্থ যতটা গভীর তার চেয়ে গভীর এ গানের আবেদন। মন মস্তিস্ক থাকলেই মানুষ-মানুষ হয় সত্য কিন্ত চিন্তা-চেতনা আর নির্লোভ পন্থায় মানুষের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে।

ডা. ইউসুফ ফকির নিজের দায়িত্বের অবহেলা কী জিনিস তা তিনি জানেন না। বরং নিজ বিভাগ “নাক-কান-গলা” ছাড়া অন্য কোনো রোগী তার কাছে গেলে সাধ্যমতো অন্য ডাক্তারের কাছে যাবার সুব্যবস্থা করে দেন।এজন্য নিজ এলাকাসহ বিভিন্ন পেশার লোকের কাছে তিনি এখন “ইউসুফ স্যার” থেকে “ইউসুফ ভাই” হয়েছেন।  

কর্ম  এবং নেতৃত্ব দিয়ে এমন একজন মানুষ এখনও দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন, যা মানুষকে উদ্বূদ্ধ করে আর উৎসাহ দেয় পরোপকারে। মুন্সীগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান এই ক্ষনজন্মা সফল চিকিৎসক ১৯৬৩ সালে জম্ম গ্রহন করেন লৌহজং উপজেলার গোড়াকান্দা গ্রামে ।তার গর্বিত জনক-জননী হলেন মরহুম রমিজ উদ্দিন ফকির এবং মরহুম আম্বিয়া খাতুন।  

শিক্ষা ও কর্মজীবন:
১৩তম বিসিএসের মাধ্যমে ১৯৯৪ সালে সরকারি চাকুরীতে যোগদান করেন, তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নাক, কান ও গলা বিভাগে অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত আছেন। শিক্ষাজীবনে তিনি বিএসএমএমইউ থেকে ২০০৭ সালে সম্পূর্ন করেছেন এমএস (ই এন টি) ডিগ্রী। ১৯৭৯ সালে কমলা এল কে হাই স্কুল থেকে ঢাকা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও নটরডেম কলেজ থেকে ১৯৮১ সালে প্রথম বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন। এছাড়া চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৮১ সালে এমবিবিএস, আইপিজিএমআর থেকে ডিএলও ডিগ্রী অর্জন করেন যথাক্রমে ১৯৮৮ ও ১৯৯৫ সালে।

রাজনীতি:
ছাত্র রাজনীতিতে তার অবদান অবিস্মরনীয়। ১৯৮৪ সাল থেকে-ই তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ শাখার সহ-সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তার দক্ষতা, মেধা আর একনিষ্ঠতায় তিনি সফল হয়েছে রাজনীতিতে। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৮৫ সালে দায়িত্ব পালন করেন সহ-সভাপতি পদে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গন্ডি পেরিয়ে তিনি বৃহৎকারে রাজনৈতিক পরিমন্ডলে প্রবেশ করেন ১৯৮৯ সালে। জনগনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে প্রথম পন্থা রাজনীতি। কিন্ত দেশের রাজনীতি নিয়ে জনগনের মধ্যে বৈরী মনোভাব থাকলেও নিজ গুণ ও দক্ষ নেতৃত্বে তিনি সফল হয়েছে রাজনৈতিক পরিমন্ডলেও। যোগদান করে আওয়ামীলীগে। তার একনিষ্ঠতা স্বাধীনতার স্বপক্ষের রাজনৈতিক এই শক্তিকে জনগনের আরো কাছে নিয়ে গেছে। জনগনের ইচ্ছায় সঙ্গে নিজের ইচ্ছাকে সম্পৃক্ত করে তিনি তৈরি করেছেন রাজনৈতিক পরিমন্ডল। সেখানেও তিনি সফল। নিজ গ্রামের মানুষের দুঃখ কষ্টের অংশীদার হয়ে তিনি এখন ছুটে যান সময়ে অসময়ে। ১৯৮৯ সালে মুন্সীগঞ্জের কমলা ইউনিয়ন শাখা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে লৌহজং উপজেলা শাখার (হামিদ ফকির-মতিন পরিষদ) আওয়ামীলীগের সদস্য হোন। ১৯৯১ সালে মহিউদ্দিন-ঢালী মোয়াজ্জেম পরিষদের মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখা শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ২০০২ সালে কেন্দ্রীয় বিএমএ (ডা: রুহুল হক-ডা: কামরুল হাসান) পরিষদে বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচন করেন। ২০০৫ সালে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচন করেন কেন্দ্রীয় বিএমএ (ডা: রশিদ-ই-মাহাবুব- ডা: ইকবাল আসলান) পরিষদে। তিনি যে বিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া করে এসএসসি পাশ করেন সেই বিদ্যালয়ের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেন। পর পর তিন বার তিনি তার নিজ স্কুল কমলা এল কে হাই স্কুলে সভাপতি দায়িত্বে ছিলেন। দায়িত্ব পালন করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক হিসাবে। স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (ডা: রুহুল হক- ডা: জালাল) পরিষদে। এছাড়া স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (ডা: রুহুমল হক- ডা: ইকবাল পরিষদ) সমাজ কল্যাণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

 

তার রাজনৈতি এই দক্ষতাকে অনেকটা জোর করে কারাবন্ধি করে রাখা হয়েছিল বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমলে। সেসময় চার দলীয় জোট সরকারের রোষানলে তাকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানী করা হয়। ২০০৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ভাংচুরের ঘটনায় চার দলীয় জো

ট সরকার তাকে সাতটি মিথ্যা মামলার আসামী করেন। যা পরবর্তীতে আদলতের মাধ্যমে নির্দোষ প্রমাণিত হয়।
নিজ জেলার প্রতি তার ভালবাসা এখন আশে পাশের মানুষ হর হামেশাই স্মরন করে। ডাক্তার হিসাবে তার যে দায়িত্ব তা পালনে তিনি কখনও কৃপণতা করেননি। অদ্যবধি তিনি সেবার হাত প্রশস্ত রেখেছেন। মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর জেলা সমিতির নির্বাচিত কার্যকারী সদস্য হিসাবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (ডা: ইকবাল-ডা: আজিজ পরিষদের) বর্তমান কমিটি ২০১৭ কোষাধ্যক্ষ দায়িত্বে আছেন। সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ, শিক্ষক সমিতি। ২০১১ সাল থেকে অদ্যবধি তিনি মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্বে

আছেন। পর পর দুই বার কার্যকরী সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করছেন বিএমএ-তে। লৌহজং উপজেলায় বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি পদে আছে ১৯৯৯ সাল থেকে অদ্যবধি। সোসাইটি অব ওটোল্যাংরিগোলজি বাংলাদেশে সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিসিয়াল এন্ড সার্জন্স (বিসিপিএস), ইএনটি ফ্যাকালটির সদস্য সচিব হিসাবে তিনি তার যোগ্যতা প্রমাণ প্রদর্শন করছেন।

নিজ সম্পর্কে বক্তব্য:
অধ্যাপক ডা: মো: আবু ইউসুফ ফকির বলেন, আমার জীবনে কিছু চাওয়ার নেই। আমি যতটুকু পেয়েছি সেটুকুতেই সন্তোষ্ট। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করেছি মানুষের উপকার করতে। কতটুকু পেরেছি তা যারা আমার থেকে উপকার পেয়েছে তারাই ভাল বলতে পারবে। আমি একজন ডাক্তার হিসাবে কখনও আমার নিজ জেলার মানুষকে অবহেলিত হতে দেয়নি। যখন-ই যে এসেছে তাকেই আমার সাধ্যমতো সর্বোত্তম সেবা দেয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। এমনও অনেক রোগী এসেছে যাদের নূন্যতম ঔষুধ কেনার সামথ্য নেই। ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে নেয়ার মতো আর্থিক স্বচ্ছলতা নেই। সেসব রোগীদের তাদের যতদিন পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসায় রাখার প্রয়োজন হয়েছে ততদিন তাদের সেবা করেছি। আমার দ্বারা কারো চিকিৎসা করার সুযোগ না থাকলে আমি তাদের সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের কাছে পাঠিয়েছি।
রাজনৈতিক ভাবে আমি কখনও কারো সাথে প্রভাব খাটায়নি। আমার সুযোগ ছিল আমি মানুষের সেবা করেছি। নির্বাচনের জন্যও আমি নেত্রীর কাছে কিছু চাইবো না। তিনি আমাকে যেখানে সুযোগ্য মনে করবেন আমি তাই মেনে নেব। নির্বাচনই আমার প্রধান উদ্দেশ্য নয়। বরং নির্বাচনের মাধ্যমে আমি জনগনের সেবায় নিজেকে আরো সম্পৃক্ত করতে আগ্রহী।

অন্যরা যা বললেন:
ঢাকা মহানগর দক্ষিনের যুবলীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ বলেন, আমি এই মানুষটিকে কখনও ভুলতে পারবো না। আমি যখন হাসপাতালে মৃত্যু সঞ্জায় তখন ডা: মো: আবু ইউসুফ ফকির আমাকে বাচিয়েছেন। ২০০১ সালে যখন চার দলীয় জোটের সন্ত্রাসীদের হামলায় আমি মৃত্যুর মুখে ঢাকা মেডিকেলের বারান্দায় কাদরাচ্ছিলাম তখন ডা: মো: আবু ইউসুফ ফকির আমাকে তার নিবির পরিচর্চায় সারিয়ে তুলেছেন। আমাকে ঔষুধ দিয়ে সেবা সারিয়ে তুলেছেন। তিনি আমার কাছে দেবতা তুল্য। এর পর থেকে যখনই আমি ডা: মো: আবু ইউসুফ ফকির এর কাছে গিয়েছি তিনি কখনও নিরাস করেনি। হাসপাতালে যখন পড়ে ছিলাম তখনও আমি তাকে চিনি না। কিন্ত তারপরও তিনি আমাকে যেভাবে সেবা দিয়েছে তা অবিশ্বাস্য। মূলত সেদিন যদি তিনি আমাকে সঠিক চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ না দিতেন তাহলে হয়তো আমি আজ এখানে থাকতাম কিনা সন্দেহ।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও জহিরুল হক হলের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান যুব লীগের সহ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ বাবলু বলেন, মুন্সীগঞ্জ জেলার প্রাণের মানুষ ডা: মো: আবু ইউসুফ ফকির। এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত যত রোগী তার কাছে সেবার জন্য গেছে তারা আজও তা স্মরনে রেখেছে।
তিনি বলেন, এলাকায় ডা: মো: আবু ইউসুফ ফকির-এর যতেষ্ঠ সুনাম আছে। রাজনৈতিক ভাবে হোক বা ডাক্তার হিসাবে হোক। তিনি একজন ভাল মানুষ। রাজনৈতিকভাবে যদি তাকে এলাকায় নিয়ে আসা হয় তাহলে এলাকার মানুষ অবশ্যই অনেক বেশি উপকৃত হবো।


মুন্সীগঞ্জ জেলার ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামন সুমন বলেন, মুন্সীগঞ্জে ডা: মো: আবু ইউসুফ ফকির-এর যে সুনাম আছে তার অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তির নেই। তিনি একদিকে যেমন মানুষকে সেবা দিতে এগিয়ে আসেন অন্যদিকে এলাকার মানুষের জন্য তিনি খুবই নিবেদিত। ঢাকায় যদি কারো ফেফারেন্সে ডা: মো: আবু ইউসুফ ফকির-এর কাছে রোগী পাঠানো হয় তাহলে তিনি কেমন চিকিৎসা করেছেন তা সেই রোগী এলাকায় ফিরে আসলেই বোঝা যায়। ঔষুধ দিয়ে, সহযোগিতা করে তিনি রোগীদের সেবা করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, আমি যখন থেকে রাজনীতি করছি তখন থেকেই তাকে দেখছি, তিনি এলাকার জন্য এতটাই প্রতিশ্রুতিশীল যা প্রশংসা করার মতো। এলাকার সব মানুষই চাই তিনি রাজনৈতিকভাবে এগিয়ে আসুক। দলের প্রধান যদি বিষয়টি বিবেচনা করে ডা: মো: আবু ইউসুফ ফকির-কে মনোয়ন দেন তাহলে অবশ্যই তিনি জয়যুক্ত হয়ে আসবেন। কারণ তার প্রতি এলাকার মানুষের অগাত বিশ্বাস আছে।
সিরাজদিখান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক নাজমুল আলম খান বলেন, ডা: মো: আবু ইউসুফ ফকির এক কথায় ভাল মানুষ। তিনি তার পেশায় যেমন খ্যাতি অর্জন করেছেন তেমননি খ্যাতি তার এলাকায়।
ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মোশারফ সুমন বলেন, একজন ডাক্তারের অনেক দায়িত্ব। চিকিৎসা কার্য্যে যে ডাক্তার নিবেদিত তার পক্ষ্যে এলাকায় সময় দেয়া কিংবা রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় রাখা অনেকটাই কঠিন। কিন্ত ডা: মো: আবু ইউসুফ ফকির এক্ষেত্রে একেবারে আলাদা। তিনি যেমন ডাক্তারের পেশায় থেকে এলাকার মানুষের সেবা করছেন তেমনি রাজনৈতিকভাবে এলাকায় নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। এলাকার মানুষের কাছে তিনি একজন্য দেবতামূল্য।

 


বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন বলেন, ডা: মো: আবু ইউসুফ ফকির এমন একজন ডাক্তার যিনি একাধারে নিজ পেশায় সম্মান ও সুনাম অর্জন করেছেন। অন্যদিকে রাজনৈতিকভাবে নিজের জায়গা এমনভাবে তৈরি করেছেন যা প্রশংসনীয়।
রাজধানী ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ওয়ারী থানার হাজী বিপ্লব বলেন, ডা: মো: আবু ইউসুফ ফকির-এর কাছে যখনই আমি নিজে গিয়েছি কিংবা কাউকে পাঠিয়েছি তখনই তিনি তার সাধ্যমত সেবা করেছেন। একই সাথে আওয়ামীলীগের পরিচয় দিয়ে যত কর্মী তার কাছে পাঠিয়েছি তারা সবাই এখন তার ভক্ত। এ এলাকা বিক্রমপুর অধ্যসীত। আওয়ামীলীগ প্রধান যদি তাকে এ এলাকা থেকে মনোনয়ন দেন তাহলে তার জয় নিশ্চিত।
তার কথার সাথে সুর মিলান সূত্রাপুর থানার নিবাসী কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় নেতা এস এম শাহাদাত হোসেন ও গেন্ডারিয়া থানার হারুনুর রশিদ বলেন, ডা: মো: আবু ইউসুফ ফকির এ এলাকায় খুবই জনপ্রিয়। তার মতো জনপ্রিয় মানুষ অদ্য এলাকায় দ্বিতীয়টি নেই।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: