ঢাকা | বৃহঃস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের বিশেষ অভিযানে আরও ৪০জন গ্রেপ্তার

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৮ মার্চ ২০২৫ ২৩:৩৬

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৮ মার্চ ২০২৫ ২৩:৩৬

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় টানা অভিযানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী ও তাদের সহযোগী হিসেবে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের আরও ৪০জনকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।

শনিবার (৮ মার্চ) বিকেলে সিএমপি’র জনসংযোগ বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- ইপিজেড থানার মো. নাইম (২৪), মো. ফারুক (২৮)। ডবলমুরিং মডেল থানার মেহেদী হাসান দিপু (২৩), সাইফুল ইসলাম (২৮), মো. রুবেল (২৭)। চকবাজার থানার ইমন উদ্দীন (২৭)। পাঁচলাইশ মডেল থানার মো. ইয়াছিন আরাফাত (৩৩), মো. সাগর হোসেন (২৭)।

‘কর্ণফুলী থানার বড়উঠান ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো. তাজুল ইসলাম (৫৪)। খুলশী থানার আসামী মিরসরাইয়ের ১০ নম্বর মিঠানালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ কাশেম (৫৮)। বায়েজিদ বোস্তামী থানার মো. ফরহাদুর রহমান (২৩)। হালিশহর থানার কাজী আব্দুল কাদের প্রকাশ চেইন কাদের (৩৯), মো. জাহেদ (৩৩)।’

‘বাকলিয়া থানার ইয়াসমিন আক্তার রিমি (২০)। পাহাড়তলী থানার মো. আজাদ (২১), মো. রাজু (২০), মো. সোহেল রানা প্রকাশ গুন্না (১৯), মো. শাকিল (১৯), মো. ইমরান (১৯), মো. মেহেদী হাসান (১৯), মো. শান্ত (১৯), নুর মোহাম্মদ রাব্বী (২২), ইয়াছিন আরাফাত (২০)। চান্দগাঁও থানার মো. গিয়াস উদ্দিন (৩২), মো. নাজিম (৪০), মো. টিপু (৪৫), মো. ফারুক (৩০), মো. সবুজ আহাম্মদ (২২), মো. সোহেল (২২), মো. হৃদয় (২০), মো. হাসান (২৩), মো. সবুজ আহাম্মদ (২২), মো. সোহেল (২২)।’

‘আকবরশাহ্ থানার মো. ফয়সাল (৩০)। সদরঘাট থানার মো. বেলাল হোসেন প্রকাশ সোহেল (৩৩), মো. শহীদ (৩৫), মো. কামরুল হাসান প্রকাশ ওশান (২২)। কোতোয়ালী থানার মো. ইমরান হোসেন (৩৮), সুজেল মিয়া প্রকাশ জুবায়ের (২৬) এবং বন্দর থানার মো. সিফাত (২১) ‘

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলাসহ বিশেষ ক্ষমতা আইন ও সন্ত্রাসীবিরোধী আইনে ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা রয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর হামলা সহ বিশেষ ক্ষমতা আইনে, সন্ত্রাসী বিরোধী আইনে ও পেনাল কোড আইনে এক বা একাধিক মামলা রয়েছে জানান।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: