odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Sunday, 14th June 2026, ১৪th June ২০২৬
তিন মাস ধরে নিখোঁজ ছিলেন ষষ্ঠি চন্দ্র বর্মন, ভাইরাল ভিডিও দেখে শনাক্ত করেন স্বজনরা

কামালপুর সীমান্তে আটকা পড়া বৃদ্ধকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৩ June ২০২৬ ২৩:১৬

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৩ June ২০২৬ ২৩:১৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকা পড়া বৃদ্ধ ষষ্ঠি চন্দ্র বর্মনকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রায় আড়াই থেকে তিন মাস ধরে নিখোঁজ থাকার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও দেখে স্বজনরা তাকে শনাক্ত করেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ষষ্ঠি চন্দ্র বর্মন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চন্দলাই (ললিতনগর) গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন মৎস্যজীবী ও কৃষক। এক ছেলে ও তিন মেয়ের জনক এই বৃদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে মাছ ধরা ও কৃষিকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

প্রায় তিন মাস আগে তিনি হঠাৎ নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সীমান্তে আটকে থাকা এক বৃদ্ধের ভিডিও প্রকাশিত হলে স্বজনরা তাকে শনাক্ত করেন।

পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে বকশীগঞ্জ থানায় যোগাযোগ করেন। যাচাই-বাছাই শেষে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

পরিবারের সদস্যদের ধারণা, নিখোঁজ হওয়ার পর কোনোভাবে তিনি ট্রেনে উঠে নিজ এলাকা থেকে অনেক দূরে চলে গিয়েছিলেন। তবে কীভাবে তিনি সীমান্ত এলাকায় পৌঁছেছিলেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ষষ্ঠি চন্দ্র বর্মনের ভাই সুমন বর্মন বলেন, “মাসের পর মাস ভাইয়ের কোনো খোঁজ পাচ্ছিলাম না। বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেছি। সীমান্তে আটকে থাকার ভিডিও দেখে তাকে শনাক্ত করতে পারি। ভাইকে ফিরে পেয়ে আমরা খুবই আনন্দিত।”

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মকবুল হোসেন বলেন, স্বজনরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসার পর পরিচয় নিশ্চিত করা হয় এবং পরে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কামালপুর সীমান্তে ওই বৃদ্ধকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। পরে স্বজনদের তথ্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করে বিজিবি ও পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: