odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Friday, 18th September 2026, ১৮th September ২০২৬
চীনের সঙ্গে চিকিৎসক প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্যকর্মী বিনিময়, যৌথ গবেষণা ও প্রযুক্তি হস্তান্তর বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

চীনের সঙ্গে স্বাস্থ্য সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৮ September ২০২৬ ২১:৩৩

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৮ September ২০২৬ ২১:৩৩

অধিকারপত্র ডটকম / বিশেষ প্রতিনিধি 

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসক প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্যকর্মী বিনিময়, যৌথ গবেষণা এবং আধুনিক স্বাস্থ্য প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) চীনের হাইনান প্রদেশের হাইকো সিটিতে হাইনান জেনারেল পিপলস হাসপাতাল পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্ককে আরও কার্যকর করতে দুই দেশের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।

বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান

চীনের চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ এবং আধুনিক ও মানসম্মত হাসপাতাল নির্মাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, চীনা বিনিয়োগকারী ও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ উদ্যোগে প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

বাংলাদেশি রোগীদের জন্য বিশেষ সুবিধার অনুরোধ

বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও সহজ করতে হাইনান জেনারেল পিপলস হাসপাতালে বিশেষ চিকিৎসাসুবিধা ও ছাড় দেওয়ার অনুরোধ জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এর পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি রোগীদের জন্য বিশেষ ‘গ্রিন মেডিক্যাল চ্যানেল’ চালু এবং চিকিৎসাসেবায় বিশেষ ছাড় দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে।

সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ চীনা হাসপাতালের

হাইনান জেনারেল পিপলস হাসপাতালের প্রেসিডেন্ট ঝাং জুন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রস্তাবকে স্বাগত জানান।

তিনি জনবল প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্যশিল্পের উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

দুই দেশের স্বাস্থ্য খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এ ধরনের সহযোগিতা চিকিৎসা প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশি রোগীদের জন্য আন্তর্জাতিক চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখতে পারে বলে আলোচনায় উঠে আসে।