odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Wednesday, 4th November 2026, ৪th November ২০২৬
কিম ইয়ো জংয়ের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষেত্রে IAEA ‘দ্বৈত মানদণ্ড’ অনুসরণ করছে

IAEA-র সমালোচনামূলক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, পারমাণবিক শক্তি হিসেবে অবস্থান অপরিবর্তনীয় বলল উত্তর কোরিয়া

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৯ September ২০২৬ ২১:৩৭

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৯ September ২০২৬ ২১:৩৭

অধিকারপত্র ডটকম /আন্তর্জাতিক ডেক্স:

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA) উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির সমালোচনা করে দেওয়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে পিয়ংইয়ং। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার জানিয়েছে, পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতার মাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার ‘পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র’ হিসেবে অবস্থান অপরিবর্তনীয়।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (KCNA) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অবস্থান জানায়।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং পৃথক এক বিবৃতিতে IAEA-র বিরুদ্ধে ‘দ্বৈত মানদণ্ড’ অনুসরণের অভিযোগ করেছেন। তাঁর দাবি, আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক কার্যক্রম এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক সাবমেরিন সংক্রান্ত পরিকল্পনার দিকে যথাযথভাবে নজর দিচ্ছে না।

কিম ইয়ো জং বলেন, উত্তর কোরিয়ার ‘আত্মরক্ষামূলক ও বৈধ’ পারমাণবিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে IAEA-র প্রস্তাব গ্রহণ আন্তর্জাতিক পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ ব্যবস্থার জন্য সমস্যাজনক।

উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্রও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্যোগে তৈরি করা ওই প্রস্তাব উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে অবস্থানের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।

এদিকে KCNA জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে কিম জং উন দেশটির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র উৎপাদন কারখানা পরিদর্শন করেছেন। তিন দিন ধরে তিনি এসব কারখানার কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর রুশ সহায়তায় পিয়ংইয়ং তার সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করছে। ইউক্রেন যুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার সেনাদের অংশগ্রহণ থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতাও দেশটির সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে বলে তাঁরা মনে করেন।

অন্যদিকে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সংলাপের সম্ভাবনা নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া ইতিবাচক বক্তব্য দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং শুক্রবার বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সংলাপ চান এবং সম্ভাব্য আলোচনার পরিবেশ তৈরিতে সিউল কাজ করবে।

ট্রাম্পও এর আগে চলতি বছরের শেষ দিকে কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের গুরুত্বের কথা বলেছেন।

সূত্র: আল জাজিরা, এএফপি ও রয়টার্স