
২০৩০ সালের মধ্যে রোবোটিক্স আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্তরাজ্যের প্রায় এক তৃতীয়াংশ কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে, নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।
হিসাবরক্ষক প্রতিষ্ঠান পিডাব্লিউসি’র করা এই গবেষণার প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, কিছু পেশা উধাও হয়ে যাওয়ার বদলে সেগুলোর ধরন বদলে যাবে।
অন্যদিকে, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি দেশটিতে আরও সম্পদ ও বাড়তি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবে।
নতুন প্রযুক্তির কারণে উৎপাদন আর খুচরা বিক্রি খাতের কাজগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে বলেও জানা যায়।
গবেষণার হিসাবমতে, যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ শতাংশ বর্তমান কাজ স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির কারণে উচ্চ ঝুঁকিতে আছে। সে তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে অংকটা ৩৮ শতাংশ, জার্মানিতে ৩৫ শতাংশে আর জাপানে ২১ শতাংশ।
পিডাব্লিউসি’র প্রধান অর্থনীতিবিদ জন হকসোর্থ বিবিসি-কে জানান, যেসব কাজ “কার্যত প্রোগ্রাম করে দেওয়া যেতে পারে” সেগুলো বেশি ঝুঁকিতে আছে।
“যেসব কাজে মানুষের সংস্পর্শ বেশি দরকার, যেমন স্বাস্থ্য আর শিক্ষা” সেগুলো নিরাপদ থাকবে, বলেন তিনি।
কিছু খাতে কর্মীদের সঙ্গে রোবটের ব্যবহার বাড়তে থাকায়, খাতগুলো ইতোমধ্যে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।
হকসোর্থ জানান, ভবিষ্যতে ট্রাক চালকদের হয়তো কোনো স্বচালিত লরি’র সঙ্গে ‘কাজ ভাগ’ করে নিতে হবে।
গবেষণায় বলা হয়, সরকারের উচিত সামনের ১০ থেকে ২০ বছরের মধ্যে কমদক্ষতার কর্মীদের আরও প্রশিক্ষণ দেওয়া। যদিও রোবট আর এআই-এর উৎপাদন ক্ষমতা দেশটির অর্থনীতি উন্নত করবে। এতে আরও জানা যায়, যুক্তরাজ্য বেকারত্বের মাত্রায় রেকর্ড নিচের দিকে যাওয়ার কাছাকাছি চলে এসেছে।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: