odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Saturday, 10th January 2026, ১০th January ২০২৬

সোয়াটের ‘অপারেশন হিটব্যাক’: পালাতে না পেরে জঙ্গিদের আত্মহনন

Admin 1 | প্রকাশিত: ৩১ March ২০১৭ ০৮:২০

Admin 1
প্রকাশিত: ৩১ March ২০১৭ ০৮:২০

শেষ হয়েছে মৌলভীবাজারের নাসিরপুরের জঙ্গি আস্তানায় সোয়াটের ‘অপারেশন হিটব্যাক’। আজ সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সাথে সংবাদ সম্মেলনে অভিযান শেষ হওয়ার ঘোষনা দেন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মনিরুল ইসলাম বিপিএম(বার), পিপিএম(বার)।

গতকাল বুধবার  গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মৌলভীবাজার পুলিশ নাসিরপুরের ফতেপুরের জঙ্গি আস্তানাটি ঘেরাও করে রাখে। সোয়াট বিকেলে এসে পৌঁছালে অভিযানের নাম দেয়া হয় অপারেশন হিটব্যাক।  সোয়াট অভিযান শুরুর আগে মাইকের সাহায্যে আত্মসমর্পণের জন্য আস্তানার ভেতরে থাকা জঙ্গিদের বারবার অনুরোধ জানায়। ওই সময় জঙ্গিদের পক্ষ  থেকে প্রায় ১২ টির মত বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো  হয়।   

মনিরুল ইসলাম জানান, গতকাল (বুধবার) সোয়াট প্রথম অভিযান শুরু করে। অভিযান শুরুর পর পালানোর পথ নেই দেখেই সম্ভবত জঙ্গিরা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সপরিবারে আত্মহনন করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ৭/৮ টি ডেডবডি থাকতে পারে আস্তানায়।

তিনি আরও বলেন, জঙ্গি আস্তানায় জঙ্গিদের সাত থেকে আটটি মৃতদেহ থাকতে পারে মনে  হলেও  নিহত জঙ্গিদের শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ায় তাদের সঠিক সংখ্যা এখনই বলা যাচ্ছে না । আস্তানার প্রবেশমুখসহ বিভিন্ন জায়গায় গ্রেনেডসহ শক্তিশালী বোমা ছড়ানো-ছিটানো ছিল। বোমা ও গ্রেনেডগুলো অপসারন করে একের পর একটার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে  ভিতরে প্রবেশ করা সম্ভব হয়েছে । ভিতরে জঙ্গিদের ছিন্নভিন্ন মৃতদেহগুলো বীভৎস অবস্থায় পড়ে ছিল। ক্রাইম সিন সেখানে কাজ করছে। পরে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ মিলিয়ে নিহত জঙ্গিদের সঠিক সংখ্যা জানানো সম্ভব হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, আমরা সূত্র ধরে অনুসন্ধান করছিলাম বলেই বলতে পারি, নব্য জেএমবি সদস্যরাই এ বাড়িটিতে আত্মগোপন করেছিল।

আতিয়া ভবনের জঙ্গিদের সঙ্গে নাসিরপুরের জঙ্গিদের কোনও যোগসূত্র রয়েছে কিনা জানতে চাইলে সিটিটিসি প্রধান বলেন, ‘তারা সবাই নব্য জেএমবির সদস্য।’

নাসিরপুরের জঙ্গিদের সম্পর্কে তিনি বলেন, জঙ্গিরা স্থানীয় নয়, তারা কারোর সঙ্গে মিশত না। আশপাশের কেউ তাদের চেনেও না। তারা সারাদিন বাসায় থাকত। জঙ্গিদের কেউ চাকরি করত না, তাদের সন্তানদেরও কেউ স্কুলে যেতে দেখেনি।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: