ঢাকা | ৩০ নভেম্বর ২০২৫
মূল তথ্য/দাবিসমূহ:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভোটকক্ষে গোপন বুথের সংখ্যা বাড়ানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছে কমিশন। ভোটারদের স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শনিবার আয়োজিত একটি মক ভোটিংয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে কমিশন এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। পাশাপাশি নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের জন্য স্থানীয় প্রভাবশালীদের আতিথেয়তা গ্রহণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
নির্বাচনী সময় কর্মকর্তাদের ওপর আবাসন–নির্ভরতা কমাতে ভাতা বৃদ্ধি ও অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
এদিকে, প্রবাসী ভোটারদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া কারিগরি জটিলতার কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও তা পুনরায় চালু হয়েছে। ঠিকানা ও বানান সংশোধনের সুবিধাসহ তথ্য হালনাগাদের জন্য ‘এডিট মোড’ আরও সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য:
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “ভোটারদের ভোট দেওয়া যেন স্বাভাবিক গতিতে সম্পন্ন হয়, সে কারণেই প্রতিটি ভোটকক্ষে একাধিক গোপন বুথ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিশনকে আশ্বস্ত করেছে যে সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং বড় ধরনের কোনো সমস্যা নেই।
গণভোট ও নির্বাচন আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে তফসিল ঘোষণার আগে ২১টি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করেছে নির্বাচন কমি

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: