অধিকার পত্র ডটকম ঢাকা:
অন্তর্র্বর্তীকালীন সরকারের পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং তার স্বামী আবু বকর সিদ্দিকীর (এবিসি) বিরুদ্ধে উঠেছে সীমাহীন দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিগত ১৮ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন খাতে তদবির ও অনিয়মের মাধ্যমে এই দম্পতি শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, রিজওয়ানা হাসানের স্বামী এবি সিদ্দিকী পলাতক সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন। বিপুর মালিকানাধীন 'হামিদ ফ্যাশন' ও 'হামিদ রিয়েল এস্টেট'-এর অঘোষিত তদারককারী এখন এবি সিদ্দিকী।
এমনকি গুলশানের শত কোটি টাকার সরকারি জমি দুদকের ক্রোক তালিকা থেকে বাদ দিতে রিজওয়ানা হাসান প্রভাব খাটিয়েছেন বলে জানা গেছে। শুধু তাই নয়, পলিথিন নিষিদ্ধের নাটক সাজিয়ে পলিথিন উৎপাদনকারী সিন্ডিকেটের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং সিলেটের ভোলাগঞ্জে 'সাদা পাথর' লুটের ঘটনায় নীরব থেকে লুণ্ঠনকারীদের সহায়তা করার অভিযোগও উঠেছে এই উপদেষ্টার বিরুদ্ধে।
পরিবেশ ছাড়পত্র প্রদান, বন সংরক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য এবং টেন্ডার ছাড়াই ৩০০ কোটি টাকার কার্যাদেশ দিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগার লুটের তথ্য নথিপত্রে উঠে এসেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, রিজওয়ানা হাসান নিজের পারিবারিক পরিচয় এবং বাবার '৭১-এর কলঙ্কিত ইতিহাস আড়াল করে সুশীল সমাজের তকমা ব্যবহার করে এই লুটপাট চালিয়েছেন। বর্তমানে তার ও তার স্বামীর সম্পদের পাহাড় নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
সাদা পাথর কেলেঙ্কারি সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান গ্রেপ্তার দাবি পরিবেশ অধিদপ্তর নসরুল হামিদ বিপু এবি সিদ্দিকী দুর্নীতি সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান দুর্নীতি

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: