প্রকাশিত: ১৯ মে ২০২৬,অধিকারপত্র ডটকম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ঘিরে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণ বা রিডিস্ট্রিক্টিং। বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের নির্বাচন হতে যাচ্ছে সাম্প্রতিক দশকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক রাজনৈতিক লড়াই।
আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র–এর প্রতিনিধি পরিষদের সব ৪৩৫টি আসন এবং সিনেটের এক-তৃতীয়াংশ আসনে ভোটগ্রহণ হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ও আইনপ্রণেতা নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে।
২০২৪ সালের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষে অল্প ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখে। বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের আসন ২২০টি, আর ডেমোক্র্যাটদের রয়েছে ২১৫টি আসন।
এই অল্প ব্যবধানের কারণেই নির্বাচনী এলাকার মানচিত্র পুনর্নির্ধারণ এখন বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনী সীমানা এমনভাবে নির্ধারণ করা হয় যাতে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল সুবিধা পায়। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘জেরিম্যান্ডারিং’।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পরিবর্তনের মাধ্যমে ভোটের ফলাফলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলা সম্ভব। ফলে ভোটের লড়াইয়ের পাশাপাশি মানচিত্র নিয়েও রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে।
এদিকে নভেম্বরের নির্বাচনের আগে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে দলীয় প্রার্থী বাছাই বা প্রাইমারি নির্বাচনও শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার আলাবামা, জর্জিয়া, আইডাহো, কেনটাকি, ওরেগন ও পেনসিলভানিয়ায় প্রাইমারি ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন শুধু কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণ করবে না, বরং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ওপরও বড় প্রভাব ফেলবে।
যুক্তরাষ্ট্র মধ্যবর্তী নির্বাচন ডোনাল্ড ট্রাম্প সিনেট প্রতিনিধি পরিষদ জেরিম্যান্ডারিং নির্বাচনী সীমানা রিপাবলিকান ডেমোক্র্যাট

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: