odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Thursday, 5th November 2026, ৫th November ২০২৬
ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সিআরসিসির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই; পরিবহন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, রেল সরঞ্জাম, শিল্প ও কর্মসংস্থানে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করবে চীনা প্রতিষ্ঠান।

অবকাঠামো ও শিল্প খাতে বিনিয়োগে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৫ November ২০২৬ ২০:২১

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৫ November ২০২৬ ২০:২১

অধিকার পত্র ডটকম | অর্থনীতি

ঢাকা, ৫ নভেম্বর ২০২৬: বাংলাদেশের অবকাঠামো ও শিল্প খাতে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার সকালে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের পক্ষে সংস্থাটির ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বিভাগের সদস্য সালেহ আহমেদ এবং সিআরসিসির পক্ষে সহযোগী প্রতিষ্ঠান চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিসিইসিসি) চেয়ারম্যান লি চংইয়াং এতে সই করেন।

এ সময় ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেন উপস্থিত ছিলেন।

 যেসব খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করবে চীন

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, সিআরসিসি ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করবে।

প্রাথমিকভাবে যেসব খাত গুরুত্ব পাচ্ছে—

* পরিবহন ও লজিস্টিকস অবকাঠামো।

* নবায়নযোগ্য জ্বালানি।

* বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন।

* রেল সরঞ্জাম সংযোজন।

* কারিগরি প্রশিক্ষণ।

* রাসায়নিক শিল্প।

* চিনি ও খাদ্যশিল্প।

* ইস্পাত ও প্রকৌশলশিল্প।

এ ছাড়া কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের সুযোগও বিবেচনা করবে চীনা প্রতিষ্ঠানটি। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ে সহায়তা করবে ইনভেস্ট বাংলাদেশ।

 মোংলা বন্দর সম্প্রসারণের সঙ্গে নতুন বিনিয়োগ উদ্যোগ

মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে দুই দেশের বিনিয়োগ সহযোগিতার এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সিআরসিসির সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিসিইসিসি মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ওই প্রকল্পের আওতায় নতুন দুটি কনটেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আগে সমঝোতা স্মারকটি সই হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের ও চীনের প্রতিনিধিদল বিনিয়োগ সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করে।

বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে ছিলেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা।

অন্যদিকে চীনা প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেন।

ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় ৫৭তম সিআরসিসি

আয়ের ভিত্তিতে তৈরি ২০২৬ সালের ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় সিআরসিসির অবস্থান ৫৭তম। অবকাঠামো নির্মাণ ও প্রকৌশল খাতে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত এই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০২৬ সালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সামার দাভোস সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সিআরসিসির চেয়ারম্যানের বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকের ধারাবাহিকতায় এবার সমঝোতা স্মারক সই হলো।

 কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সম্ভাবনা

এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো দেশে উৎপাদন বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশি সরবরাহকারীদের সম্পৃক্ত করা এবং নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাময় প্রকল্প চিহ্নিত করা।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও সিআরসিসির এই উদ্যোগ এসব লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সমঝোতা স্মারকটি বাংলাদেশের অবকাঠামো, শিল্প উৎপাদন, জ্বালানি ও পরিবহন খাতে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তবে বিনিয়োগের প্রকৃত পরিমাণ, প্রকল্পের সময়সীমা এবং বাস্তবায়নযোগ্যতা পরবর্তী যাচাই-বাছাই ও চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

 

 

 

 

বাংলাদেশের অবকাঠামো ও শিল্পে বিনিয়োগে আসছে চীনের শীর্ষ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, মোংলায় সমঝোতা সই

বাংলাদেশের অবকাঠামো ও শিল্প খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান সিআরসিসির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে মোংলায় এই চুক্তি সই হয়।

পরিবহন, রেল সরঞ্জাম, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, খাদ্যশিল্প ও ইস্পাত খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করবে চীনা প্রতিষ্ঠানটি।

২০২৬ সালের ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় ৫৭তম অবস্থানে থাকা সিআরসিসির সঙ্গে এই উদ্যোগ বাংলাদেশের শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানে কতটা ভূমিকা রাখবে?

বিস্তারিত পড়ুন—অধিকার পত্র ডটকমে।

#বাংলাদেশ #চীন #বিনিয়োগ #CRCC #InvestBangladesh #মোংলাবন্দর #অবকাঠামো #শিল্পায়ন #কর্মসংস্থান #Odhikarpatra