
এতদিনে তারেক জিয়া ও বিএনপি 'বাপ' পাইলো। আর এই বাপ হইলো ড কামাল। যুদ্ধাপরাধীদের সাথে চুক্তি কইরাও যখন বিচার মৃত্যু দন্ড ঠেকাতে পারে নাই তখন চরম জীবনাশংকায় কামাইল্লা এইবার বিশ্বনেত্রী উন্নয়নমাতা হাসিনাকে উৎখাত করিবার ষড়যন্ত্র করিতেছেন, যেন যুদ্ধাপরাধীদের কাজ থেকে নেওয়া টাকা ফেরত দিতে না হয়। ডাল মে কুচ কালা।
তারেক জীবনের তরে সরানোর হামলা করিয়াও পারে নাই তখন তারেকের হইয়া ধানের শীষ লইয়া মাতিয়া উঠিয়াছে, আর বেগমও সাহাবের লাইগ্যা আঁচলে মুখ ঢাকিয়া আসন ছাড়িয়া দিতে রাজী হইয়াছেন। ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা ও পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করিবার যে ষড়যন্ত্র শুরু হইয়াছিল তাহা এইবার পূর্ণতা দিবার জন্য ড কামাল সহযোগী পাইয়াছে! আর তা হল বিএনপি। কিন্তু কামাল মিয়ার মোহ ভাঙ্গিবে নির্বাচনের পর বুঝিবে তখন বিএনপি কী! যাহারা টিকিয়া থাকিবার জন্য মানুষ খুন করিতে পারে তাহারা ড কামালের বাড়বাড়ন্ত মানিবে এমন গ্যারান্টি কি! এতএব বুড়াকালের ভীমরতি বুঝিবে।
যে দলটি আদালত কর্তৃক সন্ত্রাসী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে, কানাডা আদালত থেকেও সন্ত্রাসী দলের স্বীকৃতি প্রাপ্ত হইয়াছে সেই দলের ছায়াতলে কামাল মিয়ার প্রশান্তি পাইবার কারণ কী! ইহা কি কেবলি ক্ষমতার মোহ! নাকি ১৯৭৫ সাল হইতে দিনে দিনে যে দেনা বাড়াইয়াছে তাহা শোধ দিবার জন্য নিজেকে পাক্কা যুদ্ধাপরাধীদের সাথে মিলিয়া গেলেন সে কালের রাজাকার, আলবদর, আলশামস যেন একালের কামাল মিয়া একাই থ্রি-ইন-ওয়ান হইলেন সাথে মীরজাফর উপাধি দিলে বরং উনি সম্মানিত হইবেন।
কী নির্লজ্জ স্বাধীন সার্বোভৌম বাংলাদেশরে আমেরিকা ও অন্যান্য দেশের দাসদেশে পরিনত করিবার জন্য নির্বাচনের আগেই ষড়যন্ত্রে মাতিয়া উঠিলেন কামাল মিয়া। চলে গেলেন মারেশা বারনি কাটের কাছে গিয়া কইলেন, ' ম্যাডাম, একটু ইয়ে করেন ট্রাম্প বাবারে বুঝায়ে কন, একখান ঠেলা দিয়া হাসিনারে বিদায় কইরা আমারে বসায়ে দেয়। আমি আমেরিকার গোলাম হইয়া থাকিব'। এমন ষড়যন্ত্র টের পাইয়া ম্যাও ম্যাও করিয়া মান্না মিয়া, নীরবে রব মিয়া আসিয়া লাইন ধরিল কিন্তু কামাল মিয়ার লগে ইউনুস মিয়ার গোপন সম্পর্ক থাকায় বেশিদূর আগাইতে না পারিয়া গুলশান ২ নং গোল চক্করে গিয়া কামাল মিয়ার লেজ ধইরা রইলো। এখন ক্ষমতায় যাইবার জন্য মরিয়া, কইলো, 'কামাল স্যার, বড় স্যার, আমাগো শেষ বাড়ের মতো সুযোগ দেন, দেখাইয়া দিমু'। কামাল মিয়া চোখ পাকাইয়া কইলো, ' তোমাগো দেখানোর কিছু নাই কাট আপার লগে আমার আলাপ হইছে, ইউনুস নোবেল বাবা যেভাবে কইবো সেভাবেই কাজ হইবো। আমরা আন্তর্জাতিক সরকার বানাবো, হাসিনাতো দেশী সরকার।' উহারা নির্বাচন না করিয়ায় বিদেশী ষড়যন্ত্রে নিজেদের অস্তিত্ব বিলিয়ে দিয়ে মোটামুটি গোলাম হইয়া গেছে! সাবধান বাংলাদেশের যেন ক্ষতি না করে নির্বাচনে জামানত বাজেয়াপ্ত করিতে হইবে।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: