odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Thursday, 1st January 2026, ১st January ২০২৬

মেসি ছিনিয়ে আনল বার্সেলোনার জয়

Mahbubur Rohman Polash | প্রকাশিত: ১৭ December ২০১৮ ১০:২৮

Mahbubur Rohman Polash
প্রকাশিত: ১৭ December ২০১৮ ১০:২৮

লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে লেভান্তের ঘরের মাঠে বিশাল জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। রবিবার রাতে বার্সেলোনা অধিনায়ক নিজে তিনটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থ লুইস সুয়ারেজকে দিয়েও করিয়েছেন আরো একটি গোল। এই ফলাফলের সুবাদে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলে বার্সেলোনার শীর্ষস্থান যেমন পাকাপোক্ত হলো, তেমনি মেসিও সর্বোচ্চ গোলদাতার টেবিলে নিজের অবস্থা শক্ত করলেন।

ম্যাচের প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগটি পেয়েছিল বল দখলে পিছিয়ে থাকা লেভান্তে। ৩২তম মিনিটে ঘানার ফরোয়ার্ড এমানুয়েল বোয়াটেংয়ের শট ক্রসবারে লেগে ফেরে।

এর তিন মিনিট পরেই দারুণ এক গোলে এগিয়ে যায় অতিথিরা। প্রতিপক্ষের ভুলে বল পেয়ে দুজনকে কাটিয়ে আড়াআড়ি গিয়ে পেনাল্টি স্পটের কাছে ক্রস বাড়ান মেসি। আর ভলিতে আসরে নিজের একাদশ গোলটি করেন সুয়ারেস।

৪৩তম মিনিটে একক নৈপুণ্যে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলার। সের্হিও বুসকেতসের নিজেদের সীমানা থেকে বাড়ানো বল ধরে দ্রুত ডি-বক্সে ঢুকে পেছনে ছুটে আসা ডিফেন্ডারকে কোনো সুযোগ না দিয়ে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে বল ঠিকানায় পাঠান বার্সেলোনা অধিনায়ক।

দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় মিনিটে মেসি ব্যবধান আরও বাড়ালে ম্যাচের লাগাম চলে যায় বার্সেলোনার হাতে। পাল্টা আক্রমণে নিজেদের সীমানা থেকে বল পায়ে সুয়ারেস দ্রুত এগিয়ে বাঁ দিকে জর্দি আলবাকে পাস দেন। স্প্যানিশ এই ডিফেন্ডারের পাস ডি-বক্সে পেয়ে প্রথম ছোঁয়ায় বাঁ পায়ের শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।

৬০তম মিনিটে রক্ষণ ভেঙে ডি-বক্সে ঢুকে সুয়ারেস পাস দেন ডান দিকে আর্তুরো ভিদালকে। সময় নষ্ট না করে চিলির এই মিডফিল্ডার বল বাড়ান গোলমুখে মেসিকে। বাঁ পায়ের টোকায় হ্যাটট্রিক পূরণ করেন সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার। ম্যাচের জয়-পরাজয়ের হিসেবটাও তাতে মিটে যায়।

এই নিয়ে চলতি লিগে সর্বোচ্চ ১৪ গোল করলেন মেসি। পাশাপাশি আসরে সতীর্থদের দিয়ে সর্বোচ্চ ১০টি গোল করিয়েছেনও তিনি।

৭৬তম মিনিটে উসমান দেম্বেলেকে বিপজ্জনকভাবে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন উরুগুয়ের ডিফেন্ডার এরিক কাবাকো।

চার মিনিট পর মেসির পাস ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন সুয়ারেস। ৮৮তম মিনিটে অধিনায়কের আরেকটি পাস পেয়ে এক জনকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের শটে লেভান্তের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন পিকে। বল গোলরক্ষকের পায়ে লেগে জালে জড়ায়।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: