odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Wednesday, 14th October 2026, ১৪th October ২০২৬

২৮১ রানের অপেক্ষায় বাংলাদেশ

Admin 1 | প্রকাশিত: ২ April ২০১৭ ০১:০৫

Admin 1
প্রকাশিত: ২ April ২০১৭ ০১:০৫

রুচিরা পালিয়াগুরুগের লাফটা বেশ দৃষ্টিনন্দন ছিল। কাউকে মুগ্ধ করতে নয়, থিসেরা পেরেরার তাণ্ডবের হাত থেকে বাঁচতেই দুই পা শূন্যে প্রায় কোমর উচ্চতায় তুলে ফেললেন স্থানীয় এই আম্পায়ার। বলটা স্টাম্পে লেগেছিল, তাই পালিয়াগুরুগে সে যাত্রা বেঁচে গেছেন। কিন্তু পেরেরা-ঝড় ঠিকই ভোগাল বাংলাদেশকে। তাতেই শ্রীলঙ্কা পেল ৯ উইকেটে ২৮০ রানের বড় স্কোর।

ভাগ্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল ভালোভাবেই। দিনেশ চান্ডিমালের সেই অদ্ভুত রানআউটের পর মিলিন্দা সিরিবর্ধনাও ফিরেছেন রানআউট হয়ে। এরপরও শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা যেভাবে ব্যাট করছিলেন, তাতে মনে হচ্ছিল নিজেরাই বোধ হয় চেষ্টা করছেন রানআউট হতে! আটে নামা সেকুগে প্রসন্ন প্রথম বলেই রানআউট হয়ে যেতে পারতেন। শর্ট মিড উইকেটে থাকা মোসাদ্দেক অবিশ্বাস্যভাবে সে সুযোগটা হাতছাড়া না করলে ২১৮ রানেই সপ্তম উইকেট পড়ত শ্রীলঙ্কার। প্রসন্ন পরের ওভারেই ফিরেছেন, কিন্তু পেরেরা (৪০ বলে ৫২ রান) যে তখনো ছিলেন।

দিলরুয়ান পেরেরাকে নিয়ে অষ্টম উইকেটে বাংলাদেশের বিপক্ষে রেকর্ড (৪৫ রান) জুটি গড়েছেন। চার ছক্কা (৪টি চার ও ১টি ছক্কা) মেরেছেন বটে, তবে এর চেয়ে বেশি জ্বালিয়েছেন দ্রুত সিঙ্গেল ও ডাবলস নিয়ে। এতেই স্কোরটা এমন উচ্চতায় উঠল, যেখান থেকে এ মাঠ থেকে জয় নিয়ে ফেরার ঘটনাই মাত্র একবার। ১৯৯৮ সালে জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২৮২ রানের লক্ষ্য এক ওভার বাকি থাকতে পেরিয়ে গিয়েছিল স্বাগতিক দল।

শেষ দিকে পেরেরার কারণেই আড়াই শ পেরোল। তবে শুরু চিন্তা করলে এ রানটাকেও কম মনে হতে পারে। প্রথম ১০ ওভারেই বিনা উইকেটে ৭৬ রানের পর তো সম্ভাব্য স্কোরকে সাড়ে ৩০০ ধরে নিচ্ছিল সবাই। মাত্র ১১ রানে দুই ওপেনার ফেরার পরই ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। এরপর রানআউট ও মিরাজ-তাসকিনদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে চেপে ধরেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ইনিংসের এক বল বাকি থাকতে ফেরা পেরেরাই কঠিন করে দিলেন বাংলাদেশের সিরিজ জেতার কাজটা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

শ্রীলঙ্কা: ৫০ ওভারে ২৮০/৯ (কুশল মেন্ডিস ৫৪, পেরেরা ৫২, থারাঙ্গা ৩৫, গুনাতিলকা ৩৪, গুনারত্নে ৩৪; মাশরাফি ৩/৬৫, মোস্তাফিজ ২/৫৫, মিরাজ ১/৪৯, তাসকিন ১/৫০, সাকিব ০/৪১, মোসাদ্দেক ০/১৩, মাহমুদউল্লাহ ০/৫)