odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Wednesday, 21st October 2026, ২১st October ২০২৬

হংকং নেতার বিক্ষোভকারীদের প্রতি আলোচনার আহ্বান

odhikar patra | প্রকাশিত: ৫ September ২০১৯ ২০:১০

odhikar patra
প্রকাশিত: ৫ September ২০১৯ ২০:১০

 

হংকং, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বৃহস্পতিবার : হংকং-এর নেতা বৃহস্পতিবার গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীদের প্রতি প্রতিবাদ সমাবেশ বন্ধ করে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। এর একদিন আগে চীনাপন্থী নেতা ক্যারি ল্যাম প্রত্যার্পণ বিল পুরোপুরি বাতিলের ঘোষণা দেন।
কিন্তু বিক্ষোভকারীরা তার এ ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, এ উদ্যোগ সামান্য এবং অনেক দেরী হয়ে গেছে।
হংকং-এ গত জুন মাসে প্রত্যার্পণ বিল বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নামে। ক্রমে তাদের দাবিনামায় আরো কিছু শর্ত যোগ হয়। সে থেকে এ পর্যন্ত নগরীতে লাখ লাখ লোকের বিক্ষোভ সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় ল্যাম এক ভিডিও বার্তায় ঘোষণা করেন, তিনি বিলটি পুরোপুরি বাতিল করছেন।
এটি বিক্ষোভকারীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি।
বৃহস্পতিবার ক্যারি এক সংবাদ সম্মেলনে তার গলার নরম সুর অব্যাহত রেখেই বলেছেন, বিলটি পুরোপুরি বাতিলের এ উদ্যোগ যত দ্রুত সম্ভব বিশৃঙ্খলা ও সহিংতাকে প্রতিরোধ এবং সামাজিক শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার, অর্থনীতি ও জনজীবনকে গতিশীল করবে।
তিনি তার প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বিক্ষোভকারীদের প্রতি আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি মধ্যমপন্থার বিক্ষোভকারীদের তাদের জঙ্গি মিত্রদের ত্যাগ করার কথাও বলেন।
কিন্তু তার এ উদ্যোগে বিক্ষোভ বন্ধ রাখার বিষয়ে তেমন কোন আভাস মেলেনি। বরং তার বুধবারের ঘোষণার নিন্দা জানিয়ে একে অনেক বিলম্বিত বলে আখ্যা দিয়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রাখার কথা বলেছে প্রতিবাদকারীরা।
মুখোশ ও হেলমেট পরা অপরিচিত এক নারী বলেন, ক্যারি ল্যাম দুই মাস আগে এই বিলটি বাতিল করলে সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হতো।
এদিকে, বিক্ষোভকারীরা নতুন করে সমাবেশ করার ডাক দিচ্ছে। এমনকি তারা শনিবারও তাদের সমাবেশ করার পরিকল্পনা করছে। কারণ, বিল বাতিল ছাড়াও তাদের আরো গুরুত্বপূর্ণ চারটি দাবি হলো- পুলিশের আচরণের তদন্ত, আটককৃত যে কাউকে ক্ষমা করে দেয়া, প্রতিবাদকারী যে কোউকে ‘দাঙ্গাকারী’ আখ্যা প্রত্যাহার করে নেয়া এবং সার্বজনীন ভোটাধিকার।
কিন্তু ল্যাম এসব দাবি উপেক্ষা করে আসছেন। অনেকে বলছেন, ল্যাম যদি কেবলমাত্র নিরপেক্ষ তদন্তের বিষয়টি সমর্থন করতেন তবু পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়ে আসতো। বিশেষ করে মধ্যমপন্থী আন্দোলনকাররা পিছু হটতো।