ঢাকা ১০ ডিসেম্বর ২০২২:
লন্ডন থেকে তারেক রহমানের দেয়া ছক অনুযায়ী নয়াপল্টনের রাস্তায় লোক সমাবেশ ঘটিয়ে তান্ডব-নাশকতার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়ে তারেকের রোষানল থেকে বাঁচতেই সরকারের সাথে আঁতাত করে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাস স্বেচ্ছায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। শুক্রবার গভীর রাতে সরকারঘনিষ্ঠ একসূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
সূত্রটি জানায়, মির্জা ফখরুল, মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির অনেক নেতাই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার পক্ষে ছিলেন। পুলিশের সাথে প্রথম দুই বৈঠকে তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানই চেয়েছিলেন। কিন্তু পরে তারেক রহমানের নির্দেশে তারা মত পাল্টান এবং নয়াপল্টনে সমাবেশ করার গোঁ ধরেন।
কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে পুলিশ রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশের অনুমতি না দেওয়ায় তারেকের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে পার্টি অফিসের সামনে তারা পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়ালে একজন পথচারী নিহত হয়, আহত হয় প্রায় অর্ধশতাধিক পুলিশ।
এরপর পার্টি অফিসে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ১৫টি তাজা বোমা, ২ লাখ পানির বোতল, ১৬০ বস্তা চাল, দুই লাখ নগদ টাকা এসব উদ্ধার করলে তাদের নাশকতার চক্রান্ত প্রকাশ হয়ে যায়। এ সবের নির্দেশদাতা তারেক রহমানের রোষানল থেকে বাঁচতে সরকারের সাথে যোগাযোগ করে স্বেচ্ছায় গ্রেফতার হন মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাস।
সূত্রটি আরো জানায়, সরকার চাইলে এই দুই নেতাকে বুধবারেই অন্য নেতাদের সাথে আটক করতে পারতো। কিন্তু তা না করায় এবং ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে আশানুরূপ লোক সমাবেশ হবে না বুঝতে পেরে ও তারেকের করা নাশকতার চক্রান্ত বানচাল হওয়ায় পিঠ বাঁচাতে তারা নিজেরাই শুক্রবার ভোরে পুলিশের হেফাজতে চলে যান।
