odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Sunday, 8th February 2026, ৮th February ২০২৬

রোহিঙ্গা-বিরোধী অভিযান বন্ধ করুন: মিয়ানমারকে চার মুসলিম দেশ

gazi anwar | প্রকাশিত: ৪ September ২০১৭ ২১:৩৮

gazi anwar
প্রকাশিত: ৪ September ২০১৭ ২১:৩৮

মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থী


বাংলাদেশ সহ এশিয়ার কয়েকটি মুসলিম দেশ মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে দেশটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে এ আহ্বান জানিয়ে এই সংকটের দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানানো হয়।

ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সোমবার মিয়ানমারের নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাত করবেন।

জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোটিয়ার ইয়াংগি লি এবং নোবেল বিজয়ী মালালা ইউসুফজাই উভয়েই মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির প্রতি এ সহিংসতার নিন্দা জানানোর আহবান জানিয়েছেন।

গত ১০ দিনে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সহিংসতার কারণে প্রায় ৯০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। প্রতি দিনই আরো হাজার হাজার শরণার্থী আসছে।

এ সংকটের ব্যাপারে ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে , 'রোহিঙ্গা মুসলিমদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান মৃত্যুর সংখ্যা এবং ব্যাপক ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর খবরে' উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নজিব রাজ্জাক এক টুইট বার্তায় ' মিয়ানমার এবং এ অঞ্চলের কল্যাণের স্বার্থে রোহিঙ্গা ভাই-বোনদের এই গুরুতর দুর্দশার অবসানের' আহ্বান জানান।

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মুসলিম দেশগুলো থেকে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেটনো মারসুডি মিয়ানমার সফর করছেন, এবং তিনি সেদেশের সামরিক বাহিনীর প্রধানের সাথে দেখা করে এ সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন। মি. রেটনো আজই পরে কোন এক সময় অং সান সুচির সাথে দেখা করবেন।

কয়েকটি দেশে বিক্ষোভ-প্রতিবাদের খবর পাওয়া গেছে।

রোববার ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার মিয়ানমার দূতাবাস লক্ষ্য করে একটি ছোট পেট্রল বোমা ছোঁড়া হয়।

মালদ্বীপ বলছে, তারা মিয়ানমারের সাথে সবরকম অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে যাচ্ছে।

মধ্য এশিয়ার কিরগিস্তানে মিয়ানমার ফুটবল দলের সাথে একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে। কারণ কিছু সামাজিক মাধ্যমেই ম্যাচের সময় প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করার আহ্বান জানানো হয়েছিল।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: