
বিচারকার্য পরিচালনার সময় হাইকোর্টের দুই বিচারপতির মধ্যে সমন্বয়হীনতা ও মতবিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় বেঞ্চটি ভেঙে দিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা। সোমবার এ সংক্রান্ত এক ঘটনায় বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি এএনএম বশির উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চটি ভেঙে পৃথক দুটি বেঞ্চ গঠন করা হয়।
এর আগে সকালে বিএনপি নেতা মীর নাছিরের একটি মামলা বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি এএনএম বশির উল্লাহর বেঞ্চের উত্থাপিত হয়।
কিন্তু বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি এএনএম বশির উল্লাহ মামলাটি শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি এজলাস কক্ষে উপস্থিত সবার সামনে বলেন ওঠেন, ‘আমি এ মামলা শুনব না।’
কনিষ্ঠ বিচারপতির এমন আচরণে বিরক্ত হন বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী। তিনি তাকে বলেন, ‘সেটা (মামলা না শোনার বিষয়) আপনি আগেই আমাকে আস্তে আস্তে বলতে পারতেন। এভাবে ওপেন কোর্টেতো এসব কথা বলতে পারেন না। আদালতের কিছুতো নিয়ম রয়েছে, কিছুটা বিধানও তো রয়েছে।’
এই বলে বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী এজলাস কক্ষ ত্যাগ করে নিজ কামরায় ফিরে যান। এরপরে বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতিও এজলাস ত্যাগ করেন।
পরে বিষয়টি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নিকট পৌঁছালে তিনি দুই বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত ওই দ্বৈত বেঞ্চটি ভেঙে দেন এবং দুটি পৃথক একক বেঞ্চ গঠন করে দেন।
জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীকে দেওয়ানি মামলা এবং কনিষ্ঠ বিচারপতি এএনএম বশির উল্লাহকে ফৌজদারি মামলার বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: