ঢাকা | শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

ইবিতে বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৬:৫৫

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৬:৫৫

 

ইবি প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস ২০২৫ পালিত হয়েছে।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী চত্বরে র‍্যালি সমবেত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো জাহাঙ্গীর আলম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এইচ এম আলী হাসান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম, প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি এ বি এম জাকির হোসেন সহ অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ও ইবি ল্যাবরোটারি স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

গ্রন্থাগারিক মোছাঃ শাহনাজ বেগম বলেন, সমৃদ্ধ হোক গ্রন্থাগার এই আমাদের অঙ্গীকার। একটা লাইব্রেরীর প্রাণ হলো তার পাঠক। আপনাদের প্রতি আমার অনুরোধ রইলো আপনারা বেশি বেশি গ্রন্থাগার এসে এটিকে প্রাণবন্ত গ্রন্থাগার হিসেবে গড়ে তুলবেন । সীমিত সম্পদের ব্যবহার নিয়ে আমরা সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি । লাইব্রেরীতে সবাই আসুন সেবা নিন, আমাদের ভুল ত্রুটি থাকলে ধরিয়ে বা পরামর্শ দিন ।

কোষাধক্ষ্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন,পাঠককে লাইব্রেরীতে যেতে হয় । বর্তমান যুগে ছাত্ররা মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে বিভিন্ন লাইব্রেরী সার্চ করে বই পড়ে। আমরা এদিক থেকে একটু পিছিয়ে আছি । আশা করি আগামী দিনগুলোতে আমরা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে লাইব্রেরীকে পরিচালনা করতে পারবো । প্রশাসনের এদিকে নজর আছে এবং লাইব্রেরীকে সে আদলেই গড়ে তুলবো ।


এ সময় ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বলেন, আমি যতটুকু জানি আমাদের লাইব্রেরীর বিভিন্ন সিস্টেম তেমন উন্নত না, সেগুলো উর্ধ্বতন করার জন্য শক্তিশালী কমিটি গঠন করে প্রস্তাব সুপারিশ করা দরকার। উপাচার্য, ট্রেজারার,আমি মিনিস্ট্রিতে গিয়েছি লাইব্রেরীকে বর্ধিত করার জন্য । দশতালা বর্ধিত ভবন নির্মাণ করা হবে। আমি মনে করি পশ্চিম-উত্তর বঙ্গে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরী হবে বাংলাদেশের সেরা লাইব্রেরী।


উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রতিবছর ৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়। এর পর থেকে সকল সরকারি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ দিবস পালিত হয়ে আসছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: