ঢাকা | শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

শক্তিশালী অর্থনীতির জন্য বন্ড মার্কেটের ওপর গুরুত্বারোপ

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২৩:৫৬

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২৩:৫৬

অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পুঁজিবাজার দরকার। আর সেই পুঁজিবাজারকে প্রাণবন্ত করতে বন্ড মার্কেটের ভূমিকা রয়েছে।

আজ বুধবার রাজধানীর তোপখানা রোডের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম) মিলনায়তনের মাল্টিপারপাস হলে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস' ফোরাম (সিএমজেএফ) ও বিআইসিএম যৌথভাবে আয়োজিত ‘আন্ডারস্ট্যান্ডিং বন্ড এন্ড সুকুক মার্কেট’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় এসব কথা তুলে ধরেন বক্তারা।

বিআইসিএমের প্রভাষক ফাইমা আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে এর ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রেসিডেন্ট নাজমুস সালেহীন, সিএমজেএফের সভাপতি গোলাম সামদানী ভুইয়া, সাবেক সভাপতি জিয়াউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আবু আলী বক্তব্য রাখেন।

নাজমুস সালেহীন বলেন, ‘পুঁজিবাজারের জন্য বিআইসিএমের মতো প্রতিষ্ঠানের ভুমিকা অনস্বীকার্য। বিআইসিএম দক্ষ জনশক্তি তৈরির কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু দু:খজনক হলো, প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা জনশক্তি পাচ্ছি না।’

তিনি বলেন, বিআইসিএমে এপ্লাইড ফাইনান্স এন্ড ক্যাপিটাল মার্কেট নিয়ে মাস্টার্স প্রোগ্রাম রয়েছে। যার সার্টিফিকেট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রদান করে। এখানেও আমরা শিক্ষার্থী পাচ্ছি না।

সিএমজেএফ সভাপতি গোলাম সামদানী ভুঁইয়া বলেন, পুঁজিবাজারে উন্নয়ননে বন্ডের বিকল্প নেই। কিন্তু এ বন্ড সম্পর্কে জানা এবং বুঝার বিষয়ে কিছুটা ঘাটতি আছে। আশাকরি এ ধরণের প্রশিক্ষণ সেই ঘাটতি মেটাতে ভূমিকা রাখবে।

জিয়াউর রহমান বলেন, সঠিক সময়ে বণ্ডের অপব্যবহার আটকানো না গেলে বিনিয়োগকারীরা এর ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলবেন। অন্তর্বর্তী সরকারকে অনুরোধ করবো যারা বন্ড এবং সুকুকের অপব্যবহার করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। তবে সুকুক এবং বন্ডে বিনিয়োগ করা সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে নজর রাখার আহ্বান জানান তিনি ৷

সিএমজেএফ সাধারণ সম্পাদক আবু আলী বলেন, শেয়ারবাজার একটি সংবেদনশীল জায়গা। সংবেদনশীল জায়গায় দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার জন্য সিএমজেএফ সব সময় সচেষ্ট। তারই ধারাবাহিকতায় এ ধরনের প্রশিক্ষণের আয়োজন। আশা করি এ ধরণের কর্মশালা দেশের শেয়ারবাজার এবং অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন বিআইসিএম এর সহকারী অধ্যাপক এস এম কালবীন ছালিমা, প্রভাষক ফাইমা আক্তার ও প্রভাষক গৌরব রায়।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: