প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ১৭:২৫
অধিকারপত্র ডটকম,
নিজস্ব প্রতিবেদক :ঈদুল আজহায় কোরবানির মাংসের পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের দেওয়া মাংসও সংরক্ষণ করতে হয় ফ্রিজে। একসঙ্গে অতিরিক্ত মাংস রাখার কারণে অনেক সময় ফ্রিজে চাপ পড়ে এবং মাংস ঠিকভাবে হিমায়িত হয় না। এতে মাংসের স্বাদ ও গুণগত মান নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই দীর্ঘদিন ভালো রাখতে মাংস সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
মাংস ঠান্ডা করে ফ্রিজে রাখুন
কোরবানির পরপরই গরম মাংস ফ্রিজে না রাখাই ভালো। প্রথমে মাংস স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কিছুটা ঠান্ডা হতে দিন। এরপর ফ্রিজারে রাখলে তা ভালোভাবে হিমায়িত হবে।
ধুয়ে নয়, রক্ত মুছে সংরক্ষণ করুন
মাংস ধুয়ে ফ্রিজে রাখলে স্বাদ ও গঠন নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে রক্ত মুছে সংরক্ষণ করাই উত্তম।
ছোট ছোট ভাগে প্যাকেট করুন
একসঙ্গে বেশি মাংস একটি ব্যাগে না রেখে প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করে রাখুন। এতে প্রয়োজনমতো বের করা সহজ হবে এবং বারবার গলানোর প্রয়োজন পড়বে না।
প্যাকেটে তারিখ লিখে রাখুন
প্রতিটি প্যাকেটের গায়ে সংরক্ষণের তারিখ লিখে রাখলে পুরোনো ও নতুন মাংস আলাদা করা সহজ হয়। সাধারণত গরু বা খাসির মাংস ফ্রিজারে চার থেকে ছয় মাস পর্যন্ত ভালো থাকে।
ফ্রিজারের তাপমাত্রা ঠিক রাখুন
ফ্রিজারের তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি ফারেনহাইটের আশপাশে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে বরফের স্তর কম তৈরি হয় এবং মাংসের আর্দ্রতা বজায় থাকে।
এয়ারটাইট প্যাকেজিং ব্যবহার করুন
ফ্রিজার-সেফ ব্যাগ বা বায়ুরোধী পাত্র ব্যবহার করুন। প্যাকেটের ভেতরের বাতাস যতটা সম্ভব বের করে সিল করলে ফ্রিজার বার্নের ঝুঁকি কমে যায়। প্রয়োজনে প্লাস্টিক র্যাপ বা ফয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে।
প্যাকেট শুইয়ে রাখুন
মাংসের প্যাকেট খাড়া করে না রেখে শুইয়ে রাখলে জায়গা কম লাগে এবং ফ্রিজ গোছানো থাকে। প্যাকেটের মাঝে কাগজ ব্যবহার করলে আলাদা করতেও সুবিধা হয়।
বারবার ফ্রিজ খোলা এড়িয়ে চলুন
ঘন ঘন ফ্রিজের দরজা খুললে ভেতরের তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়, যা মাংস সংরক্ষণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই দরজা ঠিকভাবে বন্ধ হচ্ছে কিনা, সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: