odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Wednesday, 22nd July 2026, ২২nd July ২০২৬

সততা ও আমানতদারিতার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২১ July ২০২৬ ২০:১৮

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২১ July ২০২৬ ২০:১৮

অধিকারপত্র ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে সততা, আমানতদারিতা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় অফিস কমিটির সভাপতি মাওলানা এটিএম মা’ছুমের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় অফিস সেক্রেটারি মাওলানা আ. ফ. ম. আব্দুস সাত্তারের সঞ্চালনায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার।

কর্মশালার শুরুতে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন মাওলানা এটিএম মা’ছুম। পরে দারসুল কোরআন পেশ করেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম। এছাড়া বক্তব্য দেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন এবং মো. আব্দুর রব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটি আদর্শভিত্তিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় অফিস কেবল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার স্থান নয়, বরং সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা, সেবা ও দায়িত্বশীলতার প্রতিফলন। তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা, দক্ষতা, সময়ানুবর্তিতা ও আমানতদারিতার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হয়। পাশাপাশি অফিসের প্রতিটি দায়িত্ব ইবাদতের মানসিকতা নিয়ে পালন এবং ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সমাজের কল্যাণে নৈতিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কর্মশালায় কেন্দ্রীয় অফিসের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। এ সময় অফিস ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়ন, দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি, সেবার গুণগত মান উন্নয়ন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: