odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Wednesday, 5th August 2026, ৫th August ২০২৬

এমপিদের নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ জামায়াত আমিরের

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৫ August ২০২৬ ০০:০০

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৫ August ২০২৬ ০০:০০

অধিকারপত্র ডটকম, নিজস্ব প্রতিবেদক

 ০৪ আগস্ট ২০২৬ 

ঢাকা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান দলটির সংসদ সদস্যদের নৈতিকতা, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আর্থিক ও অন্যান্য প্রলোভন থেকে দূরে থেকে সংসদ ও জনস্বার্থে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়-সংলগ্ন আল ফালাহ মিলনায়তনে দলটির নির্বাচিত ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের নিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে শফিকুর রহমান বলেন, দলের আদর্শ, গঠনতন্ত্র ও নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। সংসদ সদস্য হওয়ার কারণে কেউ বিশেষ সুবিধা পাবেন—এমন ধারণার কোনো সুযোগ নেই। নৈতিকতার প্রশ্নে সবাইকে একই মানদণ্ডে মূল্যায়ন করা হবে।

তিনি সংসদ ও সংসদের বাইরে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ব্যক্তিগত আচরণে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আশপাশের মানুষ ও তাঁদের কার্যক্রম সম্পর্কেও সচেতন থাকার পরামর্শ দেন।

বৈঠকে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াত নেতাদের কর্মকাণ্ড কীভাবে আলোচিত হয়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়। উপস্থিত কয়েকজন নেতা মত দেন, জামায়াতের কোনো নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা দ্রুত আলোচনায় আসে। এ কারণে ব্যক্তিগত আচরণ, আর্থিক লেনদেন ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন দলটির আমির।

এ ছাড়া সংসদ সদস্যদের ব্যক্তিগত সহকারী, চালক, পিয়নসহ ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বিস্তারিত পরিচয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে।

বৈঠকে সংসদ সদস্যদের পর্যাপ্ত তথ্য যাচাই ছাড়া সংসদ, গণমাধ্যম বা দলীয় কর্মসূচিতে কোনো বক্তব্য না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে জ্ঞান বৃদ্ধি, সংসদীয় কার্যপ্রণালি ও আইন প্রণয়নে দক্ষতা অর্জন এবং জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তাঁদের সমস্যা সংসদে তুলে ধরার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

দলীয় একাধিক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বৈঠকে জনগণের আস্থা অক্ষুণ্ন রাখা, সাংগঠনিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন এবং সংসদীয় কার্যক্রমে দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: