odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Monday, 5th October 2026, ৫th October ২০২৬
জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১১টি গ্রাউন্ডে আপিল; খালাস পাওয়া অভিযোগেও সাজা চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ

ইনুর ১০ বছরের সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে প্রসিকিউশনের আপিল

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৫ October ২০২৬ ১৯:৩৯

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৫ October ২০২৬ ১৯:৩৯

নিজস্ব প্রতিবেদক | অধিকার পত্র ডটকম

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করেছে প্রসিকিউশন।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আপিল আবেদন করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায়ে তার বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটি অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং এসব অভিযোগে পৃথকভাবে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হলেও সাজাগুলো একই সঙ্গে কার্যকর হওয়ার কারণে মোট সাজা হয় ১০ বছর।

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, মামলায় প্রমাণিত অপরাধের মাত্রা ও গুরুত্বের তুলনায় ১০ বছরের কারাদণ্ড যথেষ্ট নয়। এ কারণে সাজা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। প্রসিকিউশন জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই আপিলটি করা হয়েছে।

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম জানান, রাষ্ট্রপক্ষ ১১টি গ্রাউন্ডের ভিত্তিতে আপিল করেছে। পাশাপাশি যেসব অভিযোগে ইনু খালাস পেয়েছেন, সেগুলোতেও তার দায় বিবেচনা করে সাজা দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায়ে ইনুর বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করা, নির্যাতন ও রাজনৈতিক কারণে নিপীড়নসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা ও সহযোগিতার দায় প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। তবে কয়েকটি অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সেসব অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

এখন রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের পর উচ্চতর আদালতে মামলাটির পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগোবে। মৃত্যুদণ্ডের আবেদনটি প্রসিকিউশনের দাবি; এটি আপিল আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।