odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Monday, 26th October 2026, ২৬th October ২০২৬
৩৪ দিনের অচলাবস্থার পর একাডেমিক কার্যক্রমে ফেরার সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের; সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চলবে।

চুয়েটে ২৮ অক্টোবর ক্লাস-পরীক্ষা শুরু, নতুন ভিসি দায়িত্ব নিলে ফের শাটডাউন

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২৬ October ২০২৬ ২১:১০

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২৬ October ২০২৬ ২১:১০

চুয়েট প্রতিনিধি | অধিকারপত্র ডটকম :

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) টানা ৩৪ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে ক্লাস ও পরীক্ষায় ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তবে উপাচার্য পদে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে অধ্যাপক শরিফুল আলম পুনরায় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে বা উপাচার্যের দায়িত্ব পালনের উদ্যোগ নিলে আবারও শাটডাউন কর্মসূচি দিয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের অচলাবস্থায় শিক্ষাজীবনের ক্ষতি এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বিবেচনায় নিয়ে তাঁরা একাডেমিক কার্যক্রমে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সহযোগিতায় ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনাও তাঁদের লক্ষ্য।

তবে ক্লাস ও পরীক্ষায় ফিরে যাওয়ার অর্থ আন্দোলনের সমাপ্তি নয় বলে স্পষ্ট করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাঁদের দাবি, অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা আরও জানান, অধ্যাপক শরিফুল আলম পুনরায় ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করলে কিংবা উপাচার্যের দায়িত্ব পালনের উদ্যোগ নিলে তাঁরা আবারও শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন। সে ক্ষেত্রে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচিও ফিরিয়ে আনা হবে।

শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি তাঁদের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের মাধ্যমে সংকটের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তাঁদের মতে, দীর্ঘ অচলাবস্থার কারণে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। তাই শিক্ষাজীবনের ক্ষতি কমানো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

২৮ অক্টোবর থেকে ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হলে চুয়েটের একাডেমিক কার্যক্রমে গতি ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তবে উপাচার্য নিয়োগ ও পুনর্বহাল নিয়ে বিরোধের সমাধান না হলে ক্যাম্পাসে আবারও অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকছে।