সবাইকে ইনক্লুসিভ সমাজ গঠনে এগিয়ে আসার লক্ষ্যে কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, এদেরকে বাদ দিয়ে সমাজের উন্নয়ন হবে না।
ডব্লিউডিডিএফ এর সভাপতি শিরিন আক্তারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী পর্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদা মিন আরা, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআইবি) চেয়ারম্যান সুলতানা কামাল, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহিন আনাম, নিজেরাই করি’র নির্বাহী পরিচালক খুশি কবির, ডিজঅ্যাবেলিটি এক্টিভিটিষ্ট ও উন্নয়নকর্মী জুলিয়ান ফ্রান্সিস।
রাশেদ খান মেনন বলেন, প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ এমনিতেই পিছিয়ে। সমাজের এই অংশকে বাদ দিয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। যদি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ব্যবস্থা চাই তাহলে এদেরকেও সমাজে জায়গা করে দিতে হবে।
‘প্রতিবন্ধী ও অপ্রতিবন্ধী মানুষের সমন্বয়ে সকলে মিলে সমাজ গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে হবে’ এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের চলমান এসডিজি কর্মসূচির অন্যতম বার্তা হচ্ছে ‘কাউকেই পিছনে ফেলে রাখা যাবে না।’ এক্ষেত্রে দেশের প্রায় ১৬ লাখ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে পিছনে ফেলে রেখে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।
দেশের একটি শপিং চেইন মল তাদের প্রতিষ্ঠানে ইতোমধ্যে ৩০ জন প্রতিবন্ধীকে কর্মসংস্থানের সুযোগ দিয়েছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তারা আগামীতে এটি ৩ শ’ তে উন্নীত করবার ঘোষণাও দিয়েছেন। এভাবে আরো অনেকে প্রতিবন্ধীদেরও উন্নয়নে এগিয়ে আসবেন, এ ধরনের ইতিবাচক কর্মকান্ডও সম্প্রসারিত হচ্ছে।
রাশেদ খান বলেন, প্রতিবন্ধীদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব গ্রহণের পাশাপাশি সমাজেরও দায়বদ্ধতা রয়েছে। প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করা সংগঠনসহ প্রতিবন্ধীরা নিজেদের অধিকারের বিষয়ে নিজেরাই কথা বলতে শুরু করেছেন। তারা বাজেটে বরাদ্দ, চলাচলে প্রবেশগম্যতার বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে দাবি আদায়ে কাজ করছে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডব্লিউডিডিএফ এর নির্বাহী পরিচালক আশরাফুন নাহার মিষ্টি।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: