odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Saturday, 7th February 2026, ৭th February ২০২৬
মঙ্গলকে দ্বিতীয় আবাসভূমি হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্নে আরও এক ধাপ এগোল ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান। উচ্চাভিলাষী হলেও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে আশাবাদী মহাকাশ বিশ্লেষকেরা।

মঙ্গল গ্রহে মানব বসতির পথে নতুন মাইলফলক: ২০২৬ হতে পারে ঐতিহাসিক বছর

Special Correspondent | প্রকাশিত: ১৬ December ২০২৫ ২২:৪৭

Special Correspondent
প্রকাশিত: ১৬ December ২০২৫ ২২:৪৭

নিউজ ডেস্ক | অধিকারপত্র

মঙ্গল গ্রহে মানব বসতি গড়ার স্বপ্ন আর কল্পবিজ্ঞানের পাতায় সীমাবদ্ধ নেই এটি দ্রুত বাস্তবতার দিকে এগোচ্ছে। স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ইলন মাস্ক ঘোষণা দিয়েছেন লাল গ্রহে প্রথম স্টারশিপ (Starship) মিশন পাঠানো হতে পারে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ। এই ঘোষণা মহাকাশ অনুসন্ধানের ইতিহাসে একটি সম্ভাব্য ঐতিহাসিক বাঁক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইলন মাস্ক দীর্ঘদিন ধরেই মঙ্গল গ্রহকে মানুষের দ্বিতীয় বাসযোগ্য গ্রহ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখিয়ে আসছেন। সাম্প্রতিক এই সময়সীমা নির্ধারণ স্পেসএক্সের আন্তঃগ্রহ অভিযানের পরিকল্পনায় নতুন গতি এনেছে। যদিও এটি একটি অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য, তবুও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও ধারাবাহিক পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ এই স্বপ্নকে বাস্তবের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।

স্টারশিপ হলো স্পেসএক্সের সম্পূর্ণ পুনঃব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান, যা একসঙ্গে মানুষ ও বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম বহনে সক্ষম। মঙ্গল অভিযানে এই যানই হবে মূল বাহন। প্রাথমিকভাবে মিশনটি মানববিহীন হতে পারে, যার লক্ষ্য হবে মঙ্গলের পরিবেশ, অবতরণ কৌশল এবং ভবিষ্যৎ মানব বসতির জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো যাচাই করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৬ সালের লক্ষ্য পূরণ করতে হলে স্পেসএক্সকে এখনও বহু প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তাগত চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে গভীর মহাকাশে দীর্ঘমেয়াদি যাত্রা, বিকিরণ ঝুঁকি, মঙ্গলের কঠিন অবতরণ পরিস্থিতি এবং সেখানকার জীবনধারণ উপযোগী ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। তবে এসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ইলন মাস্কের ঘোষণা মানবজাতির মহাকাশ অভিযানের ইতিহাসে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। যদি পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৬ সালে স্টারশিপ মঙ্গল অভিমুখে যাত্রা করে তবে সেটি হবে মানুষের আন্তঃগ্রহ সভ্যতা গড়ার পথে এক যুগান্তকারী অধ্যায়।

--মো: সাইদুর রহমান (বাবু), বিশেষ প্রতিনিধি. অধিকারপত্র

 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: