odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Tuesday, 13th October 2026, ১৩th October ২০২৬

বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতায় সীমাবদ্ধতা দেখেছে যুক্তরাষ্ট্র

Admin 1 | প্রকাশিত: ৫ March ২০১৭ ০৬:২৬

Admin 1
প্রকাশিত: ৫ March ২০১৭ ০৬:২৬

বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু, শিক্ষাবিদ, বিদেশী কিংবা আলোচিত হত্যাকাণ্ড গুলোর জন্য আইএস কিংবা আল কায়েদার সাথে যোগসূত্র আছে বলে দাবি করে উপমহাদেশে সক্রিয় এমন উগ্রপন্থী সংগঠন গুলো‌র সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র।

দেশটির বৈশ্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ করা প্রতিবেদনে এ ধরনের অভিমতই উঠে এসেছে।

তবে দেশটি মনে করে জঙ্গি বিরোধী কঠোর অবস্থান নিয়েছে তবে এর ফলে বিচার বহির্ভূত হত্যাও বেড়েছে বলে মনে করে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

প্রতিবেদনে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি মানবাধিকারের ক্ষেত্রে বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বেআইনি আটক, নিরাপত্তা বাহিনীর দ্বারা গুম ও নির্যাতনের ঘটনা, রাজনৈতিক সহিংসতা দুর্বল কর্ম পরিবেশ এবং শ্রমিক হয়রানিসহ বেশ কিছু বিষয়গুলোকে।

রিপোর্টে বলা হয় নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর বেসামরিক প্রশাসনের পূর্ণ কর্তৃত্ব রয়েছে। সরকার পুলিশ বাহিনীকে আরও পেশাদার করতে কিছু পদক্ষেপও নিয়েছে।

এতে আরও বলা হয় বাংলাদেশের সংবিধানে মত প্রকাশের ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে তবে সরকার অনেকসময় এগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। মত প্রকাশের স্বাধীনতায় অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

"হয়রানির ভয়ে অনেক সাংবাদিক সরকারের সমালোচনার ক্ষেত্রে সেলফ সেন্সর আরোপ করছে। সরকার নিজের সহযোগী বা অরাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে সমাবেশের অনুমতি দিলেও বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষকে সমাবেশ বা বিক্ষোভ করতে দিচ্ছেনা"।

"সমবেত হওয়া বা মত প্রকাশের স্বাধীনতায় সরকারের বাধানিষেধের কারণে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিরোধীদের অংশগ্রহণের সুযোগ সংকুচিত করেছে"।

প্রতিবেদনে বলা হয় সরকার অনেক ক্ষেত্রেই বিরোধীদের কর্মসূচি আয়োজন ও প্রচারে বাধা দিয়েছে।