odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Friday, 2nd January 2026, ২nd January ২০২৬
খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনে দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা

মায়ের শেষ বিদায়ে শৃঙ্খলা ও মানবিকতায় কৃতজ্ঞ তারেক রহমান

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১ January ২০২৬ ২২:৫০

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১ January ২০২৬ ২২:৫০

 

বিশেষ প্রতিনিধি, অধিকার পত্র ডটকম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সব বাহিনী, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

গতকাল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি জানান, জীবনের গভীর শোকের মুহূর্তে মায়ের শেষ বিদায়টি দেশের মানুষের জন্য যথাযথ সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে, যা সম্ভব হয়েছে সংশ্লিষ্ট সবার যত্ন, দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের কারণে।

তারেক রহমান বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের। তিনি বলেন, শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি শোকময় পরিবেশে তাঁরা মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এবং লাখো মানুষকে নিরাপদে জানাজায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দপ্তর, পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, র‍্যাব এবং এপিবিএনের নারী ও পুরুষ সদস্যদের ধৈর্য ও দায়িত্ববোধের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তাঁদের প্রচেষ্টায় লক্ষ-লক্ষ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে শোক প্রকাশ ও শ্রদ্ধা জানাতে পেরেছে।

চোখের আড়ালে দায়িত্ব পালনকারী ডিজিএফআই, এনএসআই ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তাঁর মতে, তাঁদের সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের কারণে দিনটি নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ ছিল।

এছাড়া জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার কার্যালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পিএসও, ডিজি এসএসএফ এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত, তথ্য ও সম্প্রচার, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক, সংস্কৃতি এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বিত ভূমিকার কথাও তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, তাঁদের প্রচেষ্টায় বিদেশি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সরাসরি উপস্থিত হয়ে সমবেদনা জানাতে পেরেছেন, যা প্রমাণ করে দেশের বাইরেও খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর সম্মান ছিল।

বিশাল জনসমুদ্রের মধ্যে অনুষ্ঠান কাভার করা সাংবাদিকদের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ ছিল উল্লেখ করে তিনি দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমকর্মীদের নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের জন্য আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ধন্যবাদ জানান।

বার্তায় তিনি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জাতীয় শোকের এই সময়ে তাঁদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি ও সহযোগিতা পরিবারের জন্য অমূল্য সমর্থন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে বলে জানান তিনি।

সবশেষে তারেক রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবে—এই কঠিন সময়ে যাঁরা সহমর্মিতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন, তাঁদের কারণেই মর্যাদার সঙ্গে তাঁর মায়ের স্মৃতিকে সম্মান জানানো সম্ভব হয়েছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: