odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Sunday, 18th January 2026, ১৮th January ২০২৬
নির্বাচনী ঐক্যে প্রভাব পড়বে না দাবি, ১০–১৫টি আসন বাড়ার সম্ভাবনা দেখছে এনসিপি

ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে যাওয়ায় আসন বাড়ানোর চেষ্টা এনসিপির

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৭ January ২০২৬ ২২:৪১

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৭ January ২০২৬ ২২:৪১

✍️ বিশেষ প্রতিনিধি, অধিকার পত্র ডটকম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের নির্বাচনী ঐক্য থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সরে দাঁড়ালেও ভোটের ক্ষেত্রে এর বড় কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে ইসলামী আন্দোলন জোট ছাড়ায় ঐক্যের ভেতরে নিজেদের আসন সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে দলটি। সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু করেছে এনসিপি।

গত বৃহস্পতিবার রাতে ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৪৭টি আসন ফাঁকা রেখে ২৫৩টি আসনে সমঝোতার ঘোষণা দেয় জামায়াত নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী ঐক্য। তবে পরদিন শুক্রবার চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়। এর ফলে ইসলামপন্থী দলগুলোর ভোট একত্র করার উদ্যোগ ব্যর্থ হয়।

ইসলামী আন্দোলনের সরে যাওয়ার বিষয়ে শুক্রবার রাতে রাজধানীর জিগাতলায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিক্রিয়া জানান দলের মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলনের জন্য ঐক্যে এখনো আলোচনার দরজা খোলা রয়েছে এবং তারা আশাবাদী যে দলটি পুনরায় ঐক্যে ফিরতে পারে।

দলীয় সূত্র জানায়, সমঝোতার ভিত্তিতে এনসিপি বর্তমানে ৩০টি আসনে ছাড় পেয়েছে। তবে শুরু থেকেই দলটি জামায়াতের কাছে ৩৫ থেকে ৪০টি আসন দাবি করে আসছিল। এ লক্ষ্যেই ইসলামী আন্দোলনের জন্য ফাঁকা রাখা ৪৭টি আসনের অনেকগুলোতে এনসিপির প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

সূত্র আরও জানায়, ইসলামী আন্দোলন জোটে না থাকায় এনসিপির আসন সংখ্যা ১০ থেকে ১৫টি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে দলটি আশাবাদী। এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলমান রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, “ইসলামী আন্দোলনের ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়াটা অনাকাঙ্ক্ষিত। তবে তারা না থাকলেও নির্বাচনী প্রভাব খুব বেশি পড়বে না। বরং এই পরিস্থিতিতে ঐক্যের ভেতরে এনসিপির কিছু আসন বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং সে অনুযায়ী আলোচনা চলছে।”



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: