প্রকাশিত: ১৪ জুন ২০২৬ | কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
অধিকারপত্র ডেস্ক:
কিশোরগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এক রোগীর স্বজনকে কক্ষে আটকে মারধর ও শারীরিক লাঞ্ছনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাসংশ্লিষ্ট কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ভুক্তভোগী হিসেবে পরিচিত মো. উবায়দুল্লাহ অভিযোগ করেছেন, গত ১৩ জুন হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসক না আসায় তিনি অপেক্ষমাণ রোগীদের দুর্ভোগের ভিডিও ধারণ করেন। পরে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কক্ষে গেলে তাকে ভিডিও মুছে ফেলতে চাপ দেওয়া হয় এবং একপর্যায়ে হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারী তাকে মারধর করেন। তার দাবি, এ সময় চিকিৎসকও তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।
তবে অভিযুক্ত চর্ম, যৌন ও অ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ইসরাত জাহান মৌ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার ভাষ্য, উবায়দুল্লাহ নিয়মবহির্ভূতভাবে ভিডিও ধারণ করছিলেন এবং সিরিয়াল না মেনে কক্ষে প্রবেশের চেষ্টা করলে অন্যান্য রোগীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। তিনি দাবি করেন, উল্টো তার সহকারী ও তিনি নিজেই অসদাচরণের শিকার হয়েছেন।
ঘটনার পর উভয় পক্ষই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মো. নাজমুল করিম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাটি তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, উভয় পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যা জানা গেছে
ঘটনার বিষয়ে বর্তমানে দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। অভিযোগকারী মারধর ও শারীরিক লাঞ্ছনার দাবি করলেও অভিযুক্ত চিকিৎসক তা অস্বীকার করেছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও অভিযোগের সত্যতা নিয়ে চূড়ান্ত কোনো মন্তব্য করেনি।
অধিকারপত্রের পক্ষ থেকে স্বাধীনভাবে অভিযোগে উল্লিখিত মারধর, কক্ষে আটকে রাখা কিংবা অন্যান্য দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের আগে অভিযোগগুলোকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।
কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে মারধরের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন
কিশোরগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অভিযোগের পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পরই ঘটনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
#কিশোরগঞ্জ #জেনারেল_হাসপাতাল #ডা_ইসরাত_জাহান_মৌ #রোগীর_স্বজন #তদন্ত_কমিটি #বাংলাদেশ
কিশোরগঞ্জ । জেনারেল হাসপাতাল রোগীর স্বজন মারধরের অভিযোগ ডা. ইসরাত জাহান মৌ তদন্ত কমিটি সিভিল সার্জন হাসপাতাল স্বাস্থ্যসেবা রোগীর স্বজন মারধরের অভিযোগ মারধরের অভিযোগ মারধরের অভিযোগ ডা. ইসরাত জাহান মৌ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: