odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Saturday, 19th September 2026, ১৯th September ২০২৬
ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা খাত, ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার পথ খুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আইনে সই ট্রাম্পের

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৯ September ২০২৬ ১৯:২১

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৯ September ২০২৬ ১৯:২১

অধিকারপত্র ডটকম আন্তর্জাতিক ডেক্স

ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপের নতুন আইনে স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার স্বাক্ষর করা আইনটির আওতায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ দেশটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, ধনকুবের, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা খাতকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

‘লিন্ডসে ও গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ নামে আইনটিতে রুশ তেল ও গ্যাসের বড় ক্রেতা দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টকে দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সুযোগ রয়েছে। রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা চীন ও ভারত এ ব্যবস্থার প্রভাবের মুখে পড়তে পারে।

নতুন আইনে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রুশ তেল পরিবহনে ব্যবহৃত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ হিসেবে পরিচিত ট্যাংকারগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের জ্বালানি ও অস্ত্র খাতের ওপরও নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণের বিধান রাখা হয়েছে।

আইনটি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উভয় কক্ষে পাস হওয়ার পর ট্রাম্পের স্বাক্ষরের মাধ্যমে কার্যকর হয়েছে। এর আগে প্রতিনিধি পরিষদে বিলটি ২৬২-১৫৯ ভোটে পাস হয়। ৫৮ জন ডেমোক্র্যাট সদস্য দলীয় নেতৃত্বের অবস্থানের বাইরে গিয়ে বিলটির পক্ষে ভোট দেন।

আইনের সমর্থকেরা বলেছেন, রাশিয়ার যুদ্ধ পরিচালনার অর্থের উৎসে চাপ সৃষ্টি করা এবং মস্কোকে আলোচনার টেবিলে আনাই এর অন্যতম লক্ষ্য। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আইনটিকে ‘অত্যন্ত শক্তিশালী হাতিয়ার’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিস বিলটির বিরোধিতা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, নতুন শুল্ক আরোপের ক্ষমতা ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফাঁকফোকর রয়েছে এবং এর ফলে মার্কিন মিত্রদের ওপরও প্রভাব পড়তে পারে।

ভারত এর আগে জানিয়েছিল, রুশ তেল কেনার ওপর নতুন মার্কিন শুল্কের সম্ভাব্য প্রভাব দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে পড়তে পারে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এলো, যখন আগামী সপ্তাহে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানানোর কথা রয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স ও এএফপি