অধিকারপত্র ডটকম অনলাইন ডেক্স।
বিনোদন প্রতিবেদক | অধিকারপত্র ডটকম
একটা বয়সের পর মানুষের জীবনে বদলে যায় অগ্রাধিকারের হিসাব। নিজের শখ, ইচ্ছা কিংবা পছন্দের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে পরিবারের প্রয়োজন ও দায়িত্ব। জীবনের এই বাস্তবতাই এক সংক্ষিপ্ত কথায় তুলে ধরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিচি সোলায়মান।
সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছে
“একটা বয়সের পর নিজের ইচ্ছার তালিকার আগে সংসারের প্রয়োজনের তালিকাটা দেখতে হয়—বড় হওয়ার বাস্তবতা অনেক সময় এখানেই...”
রিচি সোলায়মানের এই কথায় উঠে এসেছে বড় হয়ে ওঠার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা দায়িত্ববোধ ও জীবনের পরিচিত এক বাস্তব চিত্র। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চাওয়া-পাওয়ার ধরন বদলে যায়। একসময় যে মানুষ নিজের পছন্দ, শখ কিংবা স্বপ্ন পূরণকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতেন, সময়ের ব্যবধানে তাঁকেই পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর বিষয়টি আগে ভাবতে হয়।
সংসারের দায়িত্ব নেওয়ার পর অনেকেরই ব্যক্তিগত ইচ্ছাগুলো অপেক্ষায় থাকে। নিজের জন্য কিছু কেনা, কোথাও ঘুরতে যাওয়া কিংবা দীর্ঘদিনের কোনো শখ পূরণের আগে ভাবতে হয় পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রয়োজনের কথা। কখনো সন্তানের ভবিষ্যৎ, কখনো বাবা-মায়ের দেখভাল, আবার কখনো সংসারের দৈনন্দিন ব্যয়ই হয়ে ওঠে প্রধান বিবেচ্য বিষয়।
রিচি সোলায়মানের এই বক্তব্যে সেই পরিচিত জীবনবোধেরই প্রতিফলন দেখা যায়। বড় হওয়া শুধু বয়সের হিসাব নয়; বরং নিজের চাওয়া-পাওয়ার পাশাপাশি অন্যদের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিতে শেখাও পরিণত জীবনের একটি অংশ।
বাংলাদেশের অসংখ্য পরিবারের কাছে এই বাস্তবতা খুবই পরিচিত। সীমিত আয়ের মধ্যে সংসার পরিচালনা করতে গিয়ে অনেক মানুষই নিজের ইচ্ছাকে পিছিয়ে রেখে পরিবারের সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যকে অগ্রাধিকার দেন। তাঁদের কাছে দায়িত্ব পালনই হয়ে ওঠে জীবনের বড় এক অধ্যায়।
উল্লেখ্য, রিচি সোলায়মান বাংলাদেশের পরিচিত টেলিভিশন অভিনেত্রীদের একজন। অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন বক্তব্য নিয়েও ভক্তদের আগ্রহ রয়েছে।
অধিকার পত্র ডটকমের পাঠকদের জন্য:.jpg)
জীবনের একপর্যায়ে নিজের ইচ্ছার চেয়ে সংসারের প্রয়োজনকে প্রাধান্য দেওয়ার এই অনুভূতি অনেকেরই অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলে যায়। রিচি সোলায়মানের সংক্ষিপ্ত কথাটি তাই কেবল একটি ফেসবুক পোস্ট নয়, দায়িত্বের চাপে নিজের অনেক ইচ্ছা নীরবে সরিয়ে রাখা মানুষের জীবনেরও প্রতিচ্ছবি।
