অধিকারপত্র ডটকম, অনলাইন ডেক্স।
বিনোদন প্রতিবেদক | অধিকারপত্র ডটকম
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া মন্তব্য করেছেন আলোচিত মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউনূসকে লক্ষ্য করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্লোগান ও বিক্ষোভের ঘটনার পর মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এ প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।.jpg)
মেঘনা আলমের পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘ইউনূস কি অবস্থা? এক সৌদি বেটাকে খুশি করতে নিজ দেশের ইমেজ, ইজ্জত দুনিয়াতে ছোট করে, নিজ দেশের মহিলাকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদ নাটক করে হেনস্থা করেছো। তোমার কপালে হেনস্থা হওয়া আরও লেখা আছে!’
পোস্টে তিনি ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং একজন নারীকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদ দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে তাঁকে আরও হেনস্তার মুখে পড়তে হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন মেঘনা।
বিমানবন্দরের ঘটনার পর মন্তব্য.jpg)
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (১২ অক্টোবর) নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আট নম্বর টার্মিনালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে লক্ষ্য করে কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশিকে স্লোগান দিতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাঁকে উদ্দেশ করে ‘গো ব্যাক’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নেন।
এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এরই মধ্যে মেঘনা আলমের পোস্টটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সৌদি কূটনীতিককে ঘিরে পুরোনো বিতর্কের প্রসঙ্গ
মেঘনা আলমের পোস্টের বক্তব্যে তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া আগের একটি বিতর্কের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে সৌদি আরবের তৎকালীন রাষ্ট্রদূতকে ঘিরে অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের ঘটনায় তিনি সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে আসেন।
সে সময় মেঘনা আলম দাবি করেছিলেন, তিনি ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি নিজেকে নির্দোষ বলেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।.jpg)
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন আলোচনা
ড. ইউনূসকে ঘিরে নিউইয়র্ক বিমানবন্দরের ঘটনা এবং মেঘনা আলমের মন্তব্য—দুটি বিষয়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছে।
