প্রতি বন্ধকতায় বিশ্ব অটিজম সচেনতা দিবসের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে আসা হলো না প্রতি বুদ্ধি ইমরানের। গত ২রা এপ্রিল একাদশ বিশ্ব অটিজম সচেনতা দিবস উপলক্ষে ৪ঠা এপ্রীল রাজধানীর কৃষি ইনটিটিউট এ অনুষ্ঠানে এবার অংশ গ্রহন করতে পারলো না বুদ্ধি প্রতিবন্ধি ইমরান। তার বড় আসা ছিলো গত বছরের ন্যায় এবারো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধান মন্ত্রী কাছে তার মনের কষ্টের কথা গুলো জানাবে কিন্তু তার এই ইচ্ছা পুরন হলো না।
বুদ্ধি প্রতিবন্ধি ইমরান কষ্টে কথা গুলো বলছিলেন । গত বছর ইমরান বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসের মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সাথে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে, নিজের কথা বলতে গেলে প্রধানমন্ত্রী আবেগে আপপ্লুত হয়ে তাবে কাছে নিয়ে আদর করে এবং তার সাথে ছবি উঠায় এবং তার াাবেদন গুলো নিয়ে তার সাথে দেখা করার জন্য বলে ও গণভবনে আসলে তার সব কথা শুনবেন ,
ইমরান বলেন আমি অনেক বার চেষ্টা করেও দারে দাওে ঘুরেও প্রসাশনিক কাঠামো ভেঙ্গে প্রধান মন্ত্রীর কাছে আমার আসার খবর পৌছাতে পারি নাই। তবে ইমরান এখনো বিশ্বাস করেন জননেত্রীর কাছে তার আসার কথা বলা হলে প্রধানমন্ত্রী তার সাথে দেখা করবেন, তার কথা শুনবেন। বুদ্ধি প্রতিবন্ধি ইমরান আরো বলেন আমার জীবনে দুইটা শখ, আমি মরার আগে এই শখ দুটো পুরোন করতে চাই। একটা হলো যার অক্লান্ত পরিশ্রমে বিশ্বের সকল অটিজম শিশুরা সমাজে মাথা উচু করে বাচার সপ্ন দেখছে প্রধানমন্ত্রীর শুযোগ্য কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এর সাথে দেখা করা
দুই আল্লাহর ঘরে উপস্থিত হওয়া । কখা গুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছিলো ইমরান।

বাংলাদেশ সংবিধান নতুন আলো দেকতে পেলাম।আমাদের পরিবারে আমাদের সমাজে,আমাদের রাষ্টে। অবহেলিত ছিলাম আমাদের কেউ বুঝতো না। ঠিক ঐ মুহুতর্তে বঙ্গবন্ধর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা এবং সুযোগ্য কন্যা সালমা ওয়াজেদ আমাদের মত প্রতিবন্ধীের বাঁচার প্রেরণা যুগিয়েছেন। তাই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বমানের নেএী হিসাবে দেখতে চাই। প্রত্যেক বাঙালীকে রাএিতে ঘুমানোর আগে চিন্তাকরা দরকার। তিনারা নিজেদের জন্যা কিছু করছি, সব বাঙালির জাতির জন্যা করেছে। তাই আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকো আন্তরিকভাব অভিনন্দন জানাই আল্লাহ হাফেজ,জয় বাংলা জয় শেখ হাসিনা ভাই আশা করছি আপনার সমায় মত দয়া করে আমার ম্যাসেজটি জাতীয় সংসদ ভবনে মাননীয় ইসপিকারের নিকট পৌছে দিতেন তাহলে আমি আন্তরিক ভাবে কৃতগ্য হতাম
