odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Saturday, 31st January 2026, ৩১st January ২০২৬
জনগণের ইশতেহার | দ্বিতীয় পর্ব—একটি জাতির দীর্ঘশ্বাসের মানচিত্র (পরিমার্জিত সংস্করণ)

চাকরি নয়, কাজ—ভোটারের সবচেয়ে পুরোনো দাবি

Dr Mahbub | প্রকাশিত: ৩০ January ২০২৬ ২০:৫৫

Dr Mahbub
প্রকাশিত: ৩০ January ২০২৬ ২০:৫৫

এই কলামে ব্যবহৃত ন্যারেটিভ নির্মিত হয়েছে সরাসরি ভোটারের কণ্ঠে। এখানে আবেগের অতিরঞ্জন নয়, বরং মাঠের অভিজ্ঞতা, ব্যক্তিগত উপলব্ধি ও বাস্তব পর্যবেক্ষণই বক্তব্যের মূল ভিত্তি। ভাষা সচেতনভাবে সোজাসাপটা রাখা হয়েছে—কোথাও কোথাও কড়া, তবে কখনোই বাস্তবতার সীমা অতিক্রম না করে। এটি কোনো প্রচারধর্মী লেখা নয়; বরং চলমান নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে ভোটার মানসের একটি সৎ ও নিরেট প্রতিফলন।

অধিকারপত্রের সম্পাদকীয় ধারাবাহিক| দ্বিতীয় পর্ব

এটি কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে লেখা তাত্ত্বিক পাণ্ডুলিপি নয়। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের চটকদার ইশতেহারের চর্বিত চর্বণও নয়। এই বয়ানটি উঠে এসেছে রোদে পোড়া পিচঢালা রাজপথ থেকে, ভোটকেন্দ্রের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ক্লান্ত মানুষের নীরবতা থেকে। এটি লেখা হয়েছে চায়ের দোকানের ধোঁয়াটে আড্ডার তর্কেও, আর তার চেয়েও বেশি লেখা হয়েছে মধ্যবিত্ত বাবার সেই করুণ চাহনিতে—যিনি প্রতিদিন সকালে তাঁর শিক্ষিত বেকার সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস গোপন করেন।

এই লেখাটি কোনো মঞ্চের ভাষণ নয়, কোনো পোস্টারের স্লোগানও নয়। এটি তৈরি হয়েছে মাঠের ভেতর থেকে—ভোটারের মুখে মুখে ঘোরা কথার ভেতর দিয়ে। এখানে আবেগ আছে, কিন্তু তা নিয়ন্ত্রিত; ক্ষোভ আছে, কিন্তু তা হাহাকারে ভাঙেনি। অভিজ্ঞতা, বাস্তবতা আর দীর্ঘ অপেক্ষার স্মৃতি—এই তিনটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে এই ন্যারেটিভ। ভাষা ইচ্ছাকৃতভাবে সহজ রাখা হয়েছে, যেন পাঠক থেমে না যায়; আবার কোথাও কোথাও কড়া, যেন বিষয়টা এড়িয়ে যাওয়া না যায়। এটি কোনো দল বা মতের প্রচার নয়—এটি চলমান নির্বাচনী বাস্তবতায় ভোটার মানসের একটি সৎ প্রতিচ্ছবি। এখানে আবেগ আছে, কিন্তু তা বাঁধভাঙা নয়; এখানে ক্ষোভ আছে, কিন্তু তা কেবল গর্জনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। কারণ এই আখ্যান জানে—বাস্তবতা চিৎকার নয়, বরং এক কঠিন ও সত্য স্বীকারোক্তির দাবি রাখে।

অলীক স্বপ্নের মরীচিকা ও ভোটারের বিষণ্ণ হাসি

আমাদের এই সবুজ ভূখণ্ডে ‘চাকরি’ শব্দটি এখন আর নিছক কোনো কর্মসংস্থানের নাম নয়; এটি যেন এক অলীক সোনার হরিণ। বাংলাদেশে ‘চাকরি’ শব্দটি এখন অনেকের কাছে আর আশার প্রতিশব্দ নয়; বরং এক ধরনের ক্লান্তির নাম। দশকের পর দশক ধরে যখন নির্বাচন এলেই বিভিন্ন মঞ্চ থেকে ঘোষণা আসে, “আমরা ক্ষমতায় এলে লক্ষ লক্ষ বেকারের চাকরি দেব,” তখন গ্রামের হাটে বা শহরের  মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা অনেক সাধারণ ভোটার আর হাততালি দেয় না। তারা একটু বাঁকা চোখে, শুধু একটু বাকা ঠোটে হাসে। সেই হাসিতে আনন্দ নেই, আছে অভিজ্ঞতা এ যে বহু বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতার নির্যাস। এর আগেও ১২টি এরূপ তফশিল জনগণ দেখেছে এই স্বাধীন দেশে। “চাকরি দিবে” এই কথা সে বহুবার শুনেছে—নির্বাচনের আগে, মঞ্চে, পোস্টারে, টেলিভিশনে। কিন্তু প্রতিবারই চাকরির প্রতিশ্রুতি আর জীবনের বাস্তবতার মাঝখানে রয়ে গেছে বিস্তর ফাঁক। আর এভাবেই ভোটাররা জানে, প্রতিটি নির্বাচনের আগে স্বপ্নের ফানুস ওড়ানো হয়, আর নির্বাচনের পরে সেই ফানুসগুলো বাস্তবতার কাঁটাতারে বিদ্ধ হয়ে চুপসে যায়। চাকরির ঘোষণা আর জীবনের রূঢ় বাস্তবতার মাঝখানে যে যোজন যোজন দূরত্ব, তা ভরাট করার মতো কোনো সেতু আজও নির্মিত হয়নি।

পড়ুন অধিকারপত্রের নতুন সম্পাদকীয় ধারাবাহিক - জনগণের ইশতেহার | পর্ব–১: আমরা আসলে কী চাই—ভোটারের নীরবতার ভাষ্য

ভোটারের কাছে চাকরি মানে কেবল একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার তথা একটি নিয়োগপত্র বা মাস শেষে কিছু টাকা নয়। চাকরি মানে তার কাছে এক চিলতে সামাজিক মর্যাদা, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ওষুধের নিশ্চয়তা আর নিজের একটা আগামীর স্বপ্ন দেখার সাহস। চাকরি মানে নিরাপত্তা, সম্মানের সাথে জীবনযাপনের সুযোগ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সাহস। অথচ আজ এই তিনটি জিনিসই অনিশ্চিত। আসলে, আজ এই প্রতিটি ভিতই নড়বড়ে। পড়াশোনা শেষ করে ডিগ্রি হাতে নিয়ে আমাদের তরুণেরা শহর থেকে শহরে হন্যে হয়ে ঘোরে। কেউ কোচিং করায়, কেউ প্রাইভেট পড়ায়, কেউ আবার ফ্রিল্যান্সিংয়ের নামে অনিয়মিত আয়ের সঙ্গে লড়াই করে। —তখন বুঝতে হবে তারা অলস নয়, তারা কেবল রাষ্ট্রপ্রদত্ত সুযোগ থেকে বঞ্চিত। এই সত্যটুকু আড়াল করে কর্মসংস্থান নিয়ে করা সব বড় বড় বুলিই শেষ পর্যন্ত ফাঁপা শোনায়।

সংখ্যার মায়াজাল বনাম টেকসই কাজের বাস্তবতা

গণমানুষ এখন আর সংখ্যার মোহে পড়ে না। নির্বাচনী ইশতেহারগুলোতে আমরা প্রায়ই দেখি ‘এক কোটি’ বা ‘দুই কোটি’ কর্মসংস্থানের মহানির্মিত পরিকল্পনা। কিন্তু সাধারণ মানুষ এখন আর সংখ্যার জাদুকরী খেলায় ভুলতে রাজি নয়। “এক কোটি চাকরি” তার কাছে এখন আর প্রতিশ্রুতি নয়, একটি স্লোগান। সে জানতে চায়—এই চাকরিগুলো তৈরি হবে কোথায়? কোন শিল্পে, কোন কারখানায়? কোন খাতে? কত সময়ে? আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন— এই কাজগুলো কি শুধু ভোটের মৌসুমের মতো ক্ষণস্থায়ী, নাকি তা পরবর্তী প্রজন্মকেও নিরাপত্তা দেবে? এই চাকরিগুলো কি আসলেই টেকসই হবে, নাকি কেবল কাগজে থাকবে? অভিজ্ঞতা ভোটারকে শিখিয়েছে, বড় সংখ্যা বলা সহজ, কিন্তু বাস্তব কাজ তৈরি করা কঠিন।

ভোটারের অভিজ্ঞতা তাকে শিখিয়েছে, মুখে বড় সংখ্যা বলা সহজ, কিন্তু মাটিতে একটি টেকসই কাজের ক্ষেত্র তৈরি করা অত্যন্ত দুরূহ। দেশের অর্থনীতির চাকা আসলে সচল রাখে যারা, তারা বেশির ভাগই তথাকথিত ‘অনানুষ্ঠানিক’ খাতের মানুষ। রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিক, ফুটপাতের ক্ষুদ্র বিক্রেতা কিংবা উদয়াস্ত খাটা ক্ষেতমজুর—এরাই এদেশের প্রাণশক্তি। অথচ ইশতেহারের ঝকঝকে পাতায় তাদের ঠাঁই হয় কেবল পরিসংখ্যানের পাদটীকায়। তারা যেন রাষ্ট্রের নাগরিক নন, কেবল কতগুলো ছায়া। জনগণের ইশতেহার মানে এমন দলিল, যেখানে এই মানুষের আয়, নিরাপত্তা আর ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা থাকবে। কারণ কাজ মানে শুধু অফিসে বসে কাজ করা নয়; কাজ মানে সম্মানজনক জীবিকা। তারা চায় এই দলিলে এই শ্রমজীবী মানুষের আয় এবং তাদের সামাজিক সুরক্ষা নিয়ে সলিড গ্যারান্টি থাকবে।

তরুণ প্রজন্মের রুদ্ধ দুয়ার ও অমীমাংসিত উপন্যাস

আজকের বাংলাদেশের তরুণ ভোটারদের ক্ষোভ সবচেয়ে তীব্র এবং গভীর। তারা প্রস্তুত, তারা শিক্ষিত, তারা দক্ষ—কিন্তু তাদের সামনে কোনো মসৃণ পথ নেই। সরকারি চাকরির পরিসর সীমিত, আর সেখানে প্রবেশের লড়াইটা অনেক সময় মেধার চেয়েও অন্য কিছুতে নির্ধারিত হয়। অন্যদিকে বেসরকারি খাতে নেই কোনো স্থায়িত্ব বা নিরাপত্তার গ্যারান্টি। একজন তরুণ যখন উদ্যোক্তা হতে চায়, সে পড়ে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আর ঋণের বেড়াজালে। বক্তৃতার মঞ্চে তাকে ‘ভবিষ্যৎ কাণ্ডারি’ বলা হলেও কাজের বেলায় তাকে একাকী যুদ্ধের ময়দানে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এই পরিস্থিতিকে একটি অমীমাংসিত উপন্যাসের সঙ্গে তুলনা করা যায়। যে উপন্যাসের প্রতিটি অধ্যায়ে পাঠক (তরুণ সমাজ) বুকভরা আশা নিয়ে অপেক্ষা করে যে, পরের পরিচ্ছেদে হয়তো সুদিন আসবে। কিন্তু পৃষ্ঠা উল্টে দেখা যায়—সেই একই অনিশ্চয়তা। প্রতি বছর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যখন হাজার হাজার গ্র্যাজুয়েট বের করে দিচ্ছে, তখন রাষ্ট্রের কাছে তাদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট কাজের ম্যাপ নেই। সনদগুলো দেয়ালে ঝুলে থাকে ঠিকই, কিন্তু জীবিকা ঝুলে থাকে অনিশ্চিত হাওয়ায়।

পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে বুক কেঁপে ওঠে। দেশে প্রায় ২৬ লাখ বেকারের মধ্যে প্রতি তিনজনের একজন স্নাতক। এটি কেবল সরকারি খতিয়ানের তথ্য নয়; এটি ২৬ লাখ পরিবারের প্রতিদিনের নিভৃত কান্নার প্রতিধ্বনি। কাজ আছে কিন্তু জীবিকা নেই, আয় আছে কিন্তু ভবিষ্যৎ নেই—এই ‘অর্ধবেকারত্বের’ অভিশাপ থেকে মুক্তি না পেলে তরুণ শক্তি একদিন হতাশার বিশাল ভার হয়ে রাষ্ট্রের কাঁধেই চেপে বসবে। এটি কোনো ভীতি প্রদর্শন নয়, বরং সময়ের এক কঠোর সতর্কতা।

গ্রাম ও শহরের ব্যবধান এবং নারীর লড়াই

শহরের তরুণদের সংকটের পাশাপাশি গ্রামীণ কর্মসংস্থানের চিত্রটি আরও ধূসর। কৃষিতে আধুনিকায়ন আসছে সত্য, কিন্তু কৃষি থেকে বিমুখ হওয়া শিক্ষিত তরুণের জন্য বিকল্প কোনো গ্রামীণ শিল্প গড়ে ওঠেনি। ফলে বাধ্য হয়ে সবাই শহরের দিকে ছুটছে। এই ভিড়, এই অসহ্য যানজট আর বস্তিবাসী জীবনের নেপথ্যে রয়েছে কর্মসংস্থানের আঞ্চলিক বৈষম্য। মানুষ চায় এমন এক পরিকল্পনা, যেখানে তাকে কাজের খোঁজে নাড়িছেঁড়া টান অনুভব করতে হবে না, বরং গ্রামেই তার জন্য সম্মানজনক জীবিকার ব্যবস্থা থাকবে।

একই কথা প্রযোজ্য নারীর ক্ষেত্রেও। আজকের নারী শিক্ষিত, তিনি দক্ষ এবং লড়াকু। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে পৌঁছানোর পথটি তার জন্য কাঁটাকীর্ণ। নিরাপদ পরিবহন, কর্মস্থলে শিশু যত্নকেন্দ্র (ডে-কেয়ার) এবং বৈষম্যহীন বেতন—এই বিষয়গুলো যখন নিশ্চিত হয় না, তখন নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির পরিসংখ্যান কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকে। ‘জনগণের ইশতেহার’ তাই দাবি করে নারীর কাজের অধিকারকে আলাদা ও গুরুত্বের সাথে দেখার।

উদ্যোক্তার কান্না ও কাঠামোগত সংস্কার

বাংলাদেশের মানুষ সহজাতভাবেই লড়াকু। তারা কেবল অন্যের অধীনে কাজ করতে চায় না, অনেকে কাজ তৈরি করতেও চায়। কিন্তু একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে ট্রেড লাইসেন্স থেকে শুরু করে ব্যাংক ঋণ পেতে যে পরিমাণ হেনস্তার শিকার হতে হয়, তাতে তার উদ্যম শুরুতেই দমে যায়। ইশতেহারে বড় শিল্পের কথা থাকলেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি কুটির শিল্পের জন্য বরাদ্দ থাকে সামান্যই। ভোটার চায় এমন এক ব্যবস্থা, যেখানে ব্যর্থ হওয়ার ভয়ে কোনো প্রতিভাকে থমকে যেতে হবে না। রাষ্ট্র যেন তার পাশে দাঁড়ায় এক সহমর্মী বন্ধুর মতো, কোনো কঠিন শাসকের মতো নয়।

দায়বদ্ধতার রাজনীতি: শেষ কথা

সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো—কর্মসংস্থান নিয়ে রাজনীতি হয়, কিন্তু কোনো জবাবদিহি থাকে না। পাঁচ বছর আগের ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কতটুকু পূরণ হলো, সেই হিসাব নেওয়ার কোনো রেওয়াজ আমাদের নেই। ভোটার এখন আর সেই সরল মানুষটি নেই যে মিষ্ট কথায় ভুলে যাবে। সে এখন চায় ‘পারফরম্যান্স অডিট’। সে চায় রাজনৈতিক দলগুলো বলুক—কোন প্রতিশ্রুতিটি তারা পালন করতে পারেনি এবং কেন পারেনি।

জনগণের এই ইশতেহার তাই কোনো তাত্ত্বিক কথা নয়, বরং বেঁচে থাকার মৌলিক দাবি। ভোটার এখন স্পষ্টভাবে তার চাওয়াকে তিনটি লাইনে সংজ্ঞায়িত করছে:

  • চাকরি নয়, কাজ চাই। (যেখানে স্থায়িত্ব ও সম্মান থাকবে);
  • সংখ্যা নয়, সুযোগ চাই। (যেখানে মেধার মূল্যায়ন হবে);
  • প্রতিশ্রুতি নয়, পথনির্দেশ চাই। (যেখানে স্বচ্ছ পরিকল্পনা থাকবে)।

পরের পর্বে আমরা আলোচনা করব সেই গভীর ক্ষত নিয়ে, যেখানে এই যৎসামান্য কাজের আয় নিমেষেই হাওয়ায় মিলিয়ে যায়। আমরা কথা বলব—বাজার, মূল্যস্ফীতি এবং বেঁচে থাকার নিদারুণ লড়াই নিয়ে। কারণ পকেটে কাজ থাকলেও যদি বাজারে গিয়ে সাধারণ মানুষ রিক্ত হস্তে ফিরে আসে, তবে সেই জীবন কেবল এক দীর্ঘশ্বাসেরই নামান্তর।

সিরিজ নোট: পরবর্তী পর্ব— জনগণের ইশতেহার” | পর্ব: বাজার, দাম আর বেঁচে থাকার হিসাব

অধ্যাপক মাহবুব লিটু, উপদেষ্টা সম্পাদক, আমাদের অধিকারপত্র (odhikarpatranews@gmail.com)

#জনগণেরইশতেহার #ত্রয়োদশ_নির্বাচন #জাতীয়_সংসদ_নির্বাচন_২০২৬ #বাংলাদেশের_নির্বাচন #ব্যালট_উৎসব #নির্বাচনী_টুকিটাকি#ভোটারেরকথা #বাংলাদেশরাজনীতি #জাতীয়নির্বাচন #ইশতেহার #গণতন্ত্র #রাজনৈতিকসম্পাদকীয়  #BangladeshPolitics #VotersVoice #ElectionManifesto #DemocracyInBangladesh #আমাদের_অধিকারপত্র #Odhikarpatra #ElectionFeatureBD



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: