odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Friday, 21st August 2026, ২১st August ২০২৬
অর্থ আত্মসাতের মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়ে ৭ মে নির্ধারণ

তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা, আইনজীবীর দাবি—স্মৃতিশক্তি নেই

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৫ May ২০২৬ ১৯:৪৪

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৫ May ২০২৬ ১৯:৪৪

অধিকারপত্র ডটকম 

স্টাফ রিপোর্টার

অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদসহ দুই জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। পলাতক থাকায় ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ গত ১৯ এপ্রিল এ আদেশ দেন।

মঙ্গলবার (৫ মে) মামলাটির অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ছিল। এদিন তোফায়েল আহমেদের অসুস্থতার বিষয়টি আদালতে তুলে ধরেন তার আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার।

আইনজীবী আদালতকে জানান, তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং বর্তমানে ঢাকার Square Hospitals Limited-এর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি কাউকে চিনতে পারেন না এবং তার স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়েছে। এ অবস্থায় আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণে তার মানসিক অবস্থা পরীক্ষা করার আবেদন জানানো হয় এবং অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর প্রার্থনা করা হয়।

তবে দুদকের পক্ষ থেকে এ আবেদনের বিরোধিতা করা হয়। তাদের বক্তব্য, আসামি পলাতক থাকাবস্থায় এ ধরনের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়; তাকে আদালতে হাজির হয়ে আবেদন করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম জানান, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় মামলার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। পলাতক থাকায় গত ১৯ এপ্রিল দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আদালত আগামী বৃহস্পতিবার (৭ মে) অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির নতুন দিন ধার্য করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে Sonali Bank Limited-এর মতিঝিল করপোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয় এবং পরে তা উত্তোলন করা হয়।

তদন্ত শেষে তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। তাদের মধ্যে মোশারফ হোসেন বর্তমানে জামিনে থেকে আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: