অধিকারপত্র ডটকম : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
তারিখ: ৬ এপ্রিল ২০২৬
ইরানে নিখোঁজ বা আটকা পড়া মার্কিন নাগরিকদের উদ্ধারে দ্বিতীয় সামরিক অভিযানে কী কী বিমান অংশ নিয়েছে, তার একটি বিস্তারিত তালিকা দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, এই অভিযানে মোতায়েন করা হয় ৪টি বোমারু বিমান, ৬৪টি ফাইটার জেট, ৪৮টি রিফুয়েলিং ট্যাংকার ও ১৩টি উদ্ধারকারী বিমান।
বিস্তারিত:
ট্রাম্প এক বিবৃতিতে জানান, ইরানে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই প্রথম উদ্ধার অভিযান ব্যর্থ হওয়ার পর দ্বিতীয়বার আরও বড় পরিসরে অভিযান চালানো হয়। তিনি সংখ্যাগুলো উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা ফিরে এসেছি এবং আমাদের লোকজনকে নিরাপদে বাড়ি নিয়ে এসেছি।’
তবে ট্রাম্পের এই দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। পেন্টাগন এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে। ইরান সরকারও এ বিষয়ে নীরব রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মত:
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের দেওয়া সংখ্যাগুলো অত্যন্ত বড় – ৬৪টি ফাইটার জেট ও ৪৮টি ট্যাংকার বিমান একটি বড় যুদ্ধ অভিযানের ইঙ্গিত দেয়, নিছক উদ্ধার অভিযানের নয়। প্রশ্ন উঠেছে, আসলে কি উদ্ধারই ছিল মূল লক্ষ্য, নাকি এর আড়ালে অন্য কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে?
ইরানে সম্প্রতি একাধিক বিদেশি নাগরিক জিম্মি হওয়ার খবর ছড়ালেও তা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত হয়নি। ট্রাম্প প্রশাসনের সময় থেকেই ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি। এই ‘উদ্ধার অভিযান’ ঘিরে নতুন করে উত্তাপ ছড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: